টেস্ট ক্রিকেট খেলতে চান না তাসকিন

ইনজুরির সাথে তাসকিন আহমেদের সখ্যতা ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই, বারবার ইনজুরির কারণে ছন্দ হারিয়েছিলেন তিনি। তাই তো এবার ইনজুরি শঙ্কা থেকে টেস্ট ক্রিকেট থেকে বিদায় নিতে চান, সবটুকু মনোযোগ দিতে চান সাদা বলে। সেজন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে তাঁর পক্ষ থেকে।

আলোচিত এই চিঠিতে তাসকিন জানিয়েছেন তাঁকে লাল বলে যেন বিবেচনা করা না হয়। কেবল সাদা বলে খেললে সামর্থ্যের পুরোটা দেয়া সম্ভব হবে এবং একই সাথে কাঁধের চোট থেকে সেরে ওঠার জন্য বেশি সময় পাবেন তিনি। অবশ্য এখনো বিসিবি কোন উত্তর দেয়নি তাঁকে, আপাতত তাই চিঠির জবাবের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

বোর্ডের অপারেশন্স চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস ইতোমধ্যে চিঠি পাওয়ার ব্যাপারটি নিশ্চিত করেছেন। শর্তে তিনি বলেন, ‘লংগার ভার্সন খেলতে চায় না এমনটা জানিয়ে সে একটা চিঠি দিয়েছে। চলমান বিপিএল শেষে এই ব্যাপারটা নিয়ে তাঁর সাথে আমরা বসব।’

হেড কোচ চান্দিকা হাতুরুসিংহে তাসকিনের টেস্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছের কথা শুনেছেন। এই লঙ্কান ছুটি শেষে দেশে আসলে তাঁর সঙ্গেও এসব নিয়ে কথা হবে বলে জানিয়েছেন জালাল ইউনুস।

বর্তমান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নুর কণ্ঠেও শোনা গিয়েছে একই সুর। তিনি বলেন, ‘সে (তাসকিন) আমাদের তিন ফরম্যাটে চুক্তিবদ্ধ ক্রিকেটার। আমাদের ডাক্তারদের সাথে কথা বলতে হবে, তাঁর ইনজুরির অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে। এরপর এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।’

ওয়ানডে বিশ্বকাপ চলাকালীন কাঁধে আঘাত পেয়েছিলেন এই ডানহাতি পেসার। এরপর থেকেই প্রত্যাবর্তনের লড়াই করেছেন তিনি। খেলতে পারেননি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হোম এবং অ্যাওয়ে সিরিজে। প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেট খেলায় ফেরার আগে পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠতে হয়েছে তাঁকে। যদিও সেরা ছন্দ এখনো খুঁজে পাননি এই তারকা।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের পর আমি রিহ্যাবে ছিলাম। সর্বশক্তিমানকে ধন্যবাদ যে আগের চেয়ে আমি ভাল অবস্থায় আছি, তবে সেরা রূপে এখনো ফিরতে সক্ষম হইনি; যদিও নিয়মিত উন্নতি হচ্ছে।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link