এই সাকিব যেন অচেনা!

মিরপুরে তিনি পা রাখা মানেই, ওই এলাকার সবচেয়ে বড় সুপার স্টার তিনি। মাঠে দুইটা আন্তর্জাতিক দল তখন খেলছে, এরপরও সাকিব আল হাসান যখন প্রবেশ করলেন মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে – তখন সবগুলো ক্যামেরা যেন মুহূর্তের মধ্যেই ঘুরে গেল তাঁর দিকে। দেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় পোস্টার বয় বলে কথা।

মিরপুরে তখন চলছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মেয়েদের মধ্যকার ওয়ানডে ম্যাচ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটা ১১৮ রানের বিরাট ব্যবধানে হেরেই শুরু করেছে নিগার সুলতানা জ্যোতির দল।

সাকিব আল হাসান মিরপুরের গ্যালারিতে খানিকটা সময় মেয়েদের খেলা দেখেন। উৎসাহ দেন। যদিও, সাকিবের উৎসাহ মেয়েদের ম্যাচে ফেরাতে পারেনি।

এদিন সাকিবকে একটু ভিন্ন ভাবেই দেখা গেল। তিনি যেন মিশে গেলেন সাধারণের ভিড়ে। এই সাকিব অন্যরকম। সচরাচর এমন দৃশ্যের দেখা মিলে না।

মিরপুরে ম্যাচের সাথে চলছিল ক্ষুদে ক্রিকেটারদের ক্যাম্প। সেখানে অনূর্ধ্ব ১৫ ক্রিকেটাররা প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। তাঁদের জন্য সাকিবকে এক পলক দেখা মানেই যেন আকাশের চাঁদ হাতে পাওয়া।

সাকিব সেই স্বপ্ন পূরণের সাথে সাথে ক্ষুদে ক্রিকেটারদের সাথে কথাও বললেন সময় নিয়ে। তাঁদের সেলফির আবদারও মেটালেন। এ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। কে জানে, এই ক্ষুদে ক্রিকেটারদের মধ্যেই হয়তো লুকিয়ে আছে ভবিষ্যাতের সাকিব কিংবা জ্যোতিরা!

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link