আইপিএলের নিলামে তারা সকলেই অভাগা

উত্থান পতন আর অপ্রত্যাশিত ঘটনায় ভরপুর কোন ক্রিকেট ম্যাচের মতই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) নিলাম। হুট করেই কেউ পেয়ে যান কোটি কোটি রুপি, কেউ পেয়ে যান ক্যামেরার ফোকাস। আবার যোগ্যতা থাকা সত্বেও অবহেলিত হন অনেকে। সদ্য সমাপ্ত আইপিএলের নিলামেও সেটার ব্যতিক্রম হয়নি। বেশ কয়েকজন তারকা ক্রিকেটার অবিক্রীত থেকে গিয়েছেন।

আর তাঁদের তালিকা করা হলে সবার আগে বলতে হয় স্টিভ স্মিথের নাম। তাঁর স্বদেশী প্যাট কামিন্স, মিশেল স্টার্করা যখন টাকার বন্যায় ভেসে গিয়েছেন স্মিথের দিকে তখন ফিরে দেখেনি কোন ফ্রাঞ্চাইজি। খুব সম্ভবত ওয়ানডে বিশ্বকাপে নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে না পারায় এমনটা ঘটেছে এই ব্যাটারের সঙ্গে।

এছাড়া অজি পেসার জস হ্যাজলউডও আগামী আইপিএলে খেলার সুযোগ পাননি। অবশ্য পুরো মৌসুম না খেলার সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন তিনি আর সেজন্যই তাঁর জন্য দর হাঁকায়নি কোন দল। যদিও পুরো মৌসুম খেললে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু রিটেইন করতো তাঁকে।

উপমহাদেশীয় কন্ডিশনে স্পিনারদের বাড়তি কদর থাকলেও ইশ সোধি, তাব্রাইজ শামসীদের জন্য আগ্রহ দেখায়নি কেউ। বিশ ওভারের সংস্করণে দুজনেই নিজ নিজ দেশের সেরা বোলারদের একজন, তবে দল পাওয়ার জন্য যথেষ্ট হয়নি। একই ভাগ্য বরণ করতে হয়েছে ইংলিশ লেগি আদিল রশিদকেও।

আবার রাসি ভ্যান ডুসেন, ফিন অ্যালেন, কলিন মুনরোর মত পরিচিত নামের ব্যাটাররাও বঞ্চিত হয়েছেন ঝমকালো টি-টোয়েন্টি লিগের স্বাদ পাওয়া থেকে। সবচেয়ে অবাক হওয়ার মত ব্যাপারটা বোধহয় ঘটেছে রেজা হেন্ড্রিকসের সঙ্গে। টি-টোয়েন্টিতে সাম্প্রতিক সময়ে কি দারুণ ফর্মে আছেন তিনি, তবুও দল পেলেন না তিনি।

এদের পাশাপাশি কিউই তারকা জেমস নিশাম, মাইকেল ব্রেসওয়েল, অ্যাডাম মিলনের জন্যও বিড করেনি কোন ফ্রাঞ্চাইজি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ওডেন স্মিথ, জেসন হোল্ডারও এবার মনোযোগ কাড়তে পারেননি নিলামের টেবিলে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link