চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের গালি দিয়ে ‘সরি’ বললেন সামিত প্যাটেল

চট্টগ্রামে সাংবাদিকদের গালি দিলেন, বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের গালি দিলেন – আবার সরিও বললেন ইংলিশ ক্রিকেটার সামিত প্যাটেল। নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল)। সিলেট স্ট্রাইকার্সের এই ক্রিকেটার অনুশীলনের ফাঁকে সাক্ষাৎকার দেয়ার সময় মেজাজ হারিয়ে গালাগালি করে বসেছিলেন, পরে মিডিয়া ম্যানেজার এগিয়ে এসে মধ্যস্ততা করেন। তবে, ঘটনা সেখানেই থেমে থাকেনি।

বয়স ৪০ হওয়ার পরও কেন বিপিএলে সুযোগ কেন পাচ্ছেন? – সেই নিয়ে ছিল প্রশ্ন। মাঠেও তেমন পারফরম্যান্স নেই সিলেটের হয়ে, এবার মাঠের বাইরেও নেতিবাচক কারণে খবরের শিরোনাম বনে গেলেন সামিত প্যাটেল।

তিনি মুখোমুখি হয়েছিলেন গণমাধ্যম কর্মীদের; সেসময় তাঁকে উদ্দেশ্য করে প্রশ্ন করা হয়েছিল, চকলেট কি তাঁর খুব প্রিয়? জিম সেশন ঠিকঠাকভাবে করছেন তো?

হুট করে এমন প্রশ্ন শুনে বিভ্রান্ত হলেও উত্তর দিয়েছিলেন সহজভাবেই, কিন্তু কয়েক মিনিট পরেই দেখা যায় উল্টো চিত্র। রেগেমেগে সাংবাদিককে গালি দিতে শুরু করেন তিনি; অকথ্য ভাষায় তাঁর এমন গালাগাল পুরোপুরি অপ্রত্যাশিত ছিল।

বাংলাদেশি ক্রিকেটারদেরও খোঁচা দিতে ছাড়েননি এই অলরাউন্ডার। তিনি বলেন, ‘আমি বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের মত না, আমি ইংলিশ ক্রিকেটার।’ এরপর ওই সাংবাদিককে দিয়ে জোর করেই সেই ইন্টারভিউ ডিলিট করান এই ডানহাতি।

যদিও পরবর্তীতে অন্যান্য সাংবাদিকরা তাঁর সঙ্গে কথা বললে নিজের ভুল বুঝতে পারেন তিনি। সেসময় ভুলের জন্য ক্ষমাও চাইতে দেখা যায় তাঁকে।

সিলেট স্ট্রাইকার্স অবশ্য আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়েছে এই ইস্যুতে। সেখানে বলা হয়, সামিত প্যাটেলের সঙ্গে টিম ম্যানেজার নাফিস ইকবাল ও মিডিয়া ম্যানেজার মিনহাজ উদ্দিন খান তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি সমাধানের পদক্ষেপ নিয়েছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে এই ধরনের ঘটনা যেন গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কেউ না ঘটায় এই ব্যাপারে দলের সকল ক্রিকেটার ও সংশ্লিষ্ট স্টাফদের সর্তক করেন তাঁরা।

বিশ্বজুড়ে ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলেছেন, খেলেছেন ইংল্যান্ড দলেও। অথচ, তাঁর মানসিকতা এখনো শিশুতোষ। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার যা করেছেন সেটা মেনে নেয়ার মত নয়।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link