জাতীয় দলে দুই দেশি কোচ

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের কোচিং প্যানেলে যুক্ত করা হয়েছে দুই দেশি কোচ মিজানুর রহমান বাবুল ও তালহা জুবায়েরকে। পেস বোলিং কোচ ওটিস গিবসন ছুটিতে থাকায় ভারপ্রাপ্ত পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব পেয়েছেন তালহা এবং টিম ম্যানেজমেন্টের চাওয়া অনুযায়ী কোচিং প্যানেলে যুক্ত করা হয়েছে বাবুলকে।

সাবেক পেসার তালহা জুবায়ের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের পেস বোলিং কোচের দায়িত্ব পালন করছেন আর মিজানুর রহমান বাবুল ২০১৮ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করার পর এখন ঘরোয়া ক্রিকেটে বিভিন্ন দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন।

জাতীয় দলে এই দুই কোচের দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়টি খেলা ৭১- কে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটির চেয়ারম্যান আকরাম খান। তিনি জানিয়েছেন এই দুই কোচকে শুধু মাত্র শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের জন্যই কোচিং প্যানেলে যুক্ত করা হয়েছে।

ভাষাগত কারণে বিদেশি কোচদের থেকে দেশি কোচদের সাথে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন ক্রিকেটাররা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজে সোহেল ইসলামকে স্পিন বোলিং কোচের দায়িদ্ব দেওয়ার পর সোহেল ইসলামকে নিয়ে এমন মন্তব্য করেছিলেন মেহেদি হাসান মিরাজ ও তাইজুল ইসলাম।

এই সিরিজ খেলতে ১৬ মে ঢাকায় এসে তিন দিনের কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটাররা। কোয়ারেন্টাইন শেষে করোনা টেস্টে নেগেটিভ প্রমাণিত হলে ১৯ মে থেকে অনুশীলন শুরু করতে পারবে শ্রীলঙ্কা। দুই দিন অনুশীলন করার পর ২১ মে নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপির) তিন নম্বর মাঠে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবেন সফরকারী ক্রিকেটাররা।

ঈদের ছুটি শেষে আজ থেকে অনুশীলন শুরু করেছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা। তিন দিন অনুশীলন করার পর ২০ মে নিজেদের মধ্যে ভাগ হয়ে বিকেএসপির ৪ নম্বর মাঠে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর সিরিজ শুরুর আগে আবার দুই দিন অনুশীলন করার সুযোগ পাবেন স্বাগতিক ক্রিকেটাররা।

২৩ মে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে। একই ভেন্যুতে ২৫ মে দ্বিতীয় ওয়ানডে খেলার পর ২৮ মে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মাঠে নামবে দুই দল। সিরিজের প্রতিটি ম্যাচই শুরু হবে দুপুর আড়াইটায়। দেশের মাটিতে সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করেছে বাংলাদেশ দল।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link