আফগানিস্তানের বিপক্ষে চাইলে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনকে সুযোগ দেওয়া যায়, বাদ দেওয়া যায় শেখ মেহেদী হাসানকে। সেটা ঝুঁকি নয়, বরং তাতে বাংলাদেশ দলের বোলিং আক্রমণের সক্ষমতা বাড়বে। সাইফউদ্দিনকে নিয়ে দলে থাকবেন চার পেসার, আর এক স্পিনার।
আফগানদের বিপক্ষে তাওহীদ হৃদয়ের জায়গা হারানো প্রায় নিশ্চিত। সেখানে খেলবেন সাইফ হাসান। এখন, সাইফ হাসান আর শামিম হোসেন পাটোয়ারিকে ‘বিকল্প’ বোলার হিসেবে ধরে নিলে বাঁচামরার লড়াইয়ে বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণটা আরও মজবুত রুপ লাভ করবে।
আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুরুতে শেখ মেহেদী হাসানকে দিয়ে আক্রমণ সাজাতে পারবে না বাংলাদেশ। নতুন বলে তাসকিন আহমেদই শুরু করবেন। সেক্ষেত্রে অপর প্রান্তে সাইফউদ্দিনকে নতুন বল তুলে দেওয়া যেতে পারে।

মিডল ওভারে বাংলাদেশের হাতে একজন প্রিমিয়াম স্পিনার থাকছেন। আফগানদের ব্যাটিং লাইন আপের কথা চিন্তা করে সেখানে নাসুম আহমেদের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। বাদ পড়বেন রিশাদ হোসেন। মানে, দুই স্পিনারের জায়গায় একজন স্পিনার। এখানে ঘাটতি পূরণ করতে পারবেন সাইফ কিংবা শামিম পাটোয়ারি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ শেখ মেহেদীর হাতে নতুন বল দেয়নি। চলতি বছরে শেখ মেহেদীর ধারও অনেকটাই কমে গেছে। গত বছরে যেখানে তিনি ৬.৮২ ইকোনমিতে রান দিয়েছেন, এই বছর সেটা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.১৪-এ। বাংলাদেশ তাকে সাত নম্বর ব্যাটার হিসেবেও বিবেচনা করতে চায়, যেটা কার্যত অনেক দিনের চেষ্টার পরও ফলপ্রসু হচ্ছে না।
বরং ব্যাটার হিসেবে সাইফউদ্দিন সাত নম্বরের জন্য ‘বেটার’ চয়েজ হতে পারেন। আর প্রতিপক্ষ বিবেচনা করে আবুধাবির কন্ডিশনে তিনি ‘বেটার’ বোলিং অপশনও বটে। সব মিলিয়ে আফগানদের বিপক্ষে একটা সুযোগ সাইফউদ্দিনের প্রাপ্য।











