লং অফে তুলে মারলেন হার্দিক পান্ডিয়া। লক্ষ্য ছক্কা, কিন্তু হল না। তানজিম হাসান সাকিবের হাতে জমা পড়লেন। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন শেষ ওভার শেষ করলেন মাত্র চার রান দিয়ে। কোনো উদযাপন না করলেও, হার্দিক পান্ডিয়ার সামনে এটা আক্ষরিক অর্থেই উদযাপন করার মত পারফরম্যান্স।
মাঝের ওভার গুলোতে ভারতের রান শুকিয়ে ফেলতে পেরেছে বাংলাদেশ দল। সাত থেকে ১৬ ওভার – এই সময়ে বাংলাদেশ রান দিয়েছে মাত্র ৬৩। উইকেট তুলে নিয়েছে পাঁচটি। শেষ ১৪ ওভারে ভারত তুলতে পারে মাত্র ৯৬ রান, হারায় ছয়টি উইকেট। দিব্যি ২০০ রান করে ফেলতে পারা ভারত থেমেছে ১৬৮ রানে।
আর বাংলাদেশের এই প্রতিরোধের কুশীলব কয়েকজন। প্রথমে অবশ্যই রিশাদ হোসেন আর মুস্তাফিজুর রহমান। রিশাদ সপ্তম আর নবম ওভারে একটা করে উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে দ্বিতীয়বার ভাবতে বাধ্য করেছেন।

এরপর মুস্তাফিজুর রহমানের একটা ওভার মোমেন্টাম পাল্টে দেয় এক নিমিষেই। সেখানে ১২ তম ওভারে প্রথম রিশাদ হোসেনের দারুণ এক ফিল্ডিংয়ে রান আউট হয়ে যান অভিষেক শর্মা। এরপর ১৫ তম ওভারে তানজিম হাসান সাকিবের সামনে পরাস্ত হন তিলক ভার্মা।
প্রথম ওভারে ১৭ রান হজম করে মুস্তাফিজ পরের তিন ওভারে গুনেছেন মাত্র ১৬ রান। দুই ওভারে মাত্র সাত রান হজম করেন সাইফ হাসান। সেখান থেকে আদৌ আর ফিরে আসতে পারেনি ভারত। অক্ষর প্যাটেল ১৫ বলে মাত্র ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ভারতের দুর্দশা বোঝাতে এটুকুই যথেষ্ট। শেষের দিকে শেকল ভাঙার চেষ্টা করেছিলেন হার্দিক পান্ডিয়া। অভিষেক শর্মার ৩৭ বলে ৭৫ রান করার পর পান্ডিয়াই যা একটু রান করতে পেরেছেন। শেষ বলে ফিরে যাওয়ার আগে ২৯ বলে ৩৮ রান করেন তিনি।
পান্ডিয়া আর অভিষেক বাদে ভারতের পাঁচ বাকি ব্যাটার মিলে করতে পেরেছেন ৫১ রান। সেখান খেলতে হয়েছে ৫৫ টি ডেলিভারি। সেখান থেকে শুভমান গিলের ১৯ বলে ২৯ রান বাদ দিলে অবস্থা আরও করুণ। চার জনে মিলে ৩৬ বলে করেন ২২ রান। সেখানেই ভারতের ব্যর্থতা আর সাফল্য বাংলাদেশের বোলারদের।











