গেইলকে হটিয়ে সিংহাসনে কোহলি

ক্যারিয়ারের এই গোধূলিলগ্নেও বিরাট কোহলি গড়ে যাচ্ছেন একের পর এক রেকর্ড। দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ১৪ হাজার রানে প্রবেশ করলেন বিরাট।

ক্রিস গেইলের বেলা শেষ। ব্যাটের ধার ফুরিয়ে এসেছে ডেভিড ওয়ার্নারেরও। কিন্তু ক্যারিয়ারের এই গোধূলিলগ্নেও বিরাট কোহলি গড়ে যাচ্ছেন একের পর এক রেকর্ড। দ্রুততম ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ১৪ হাজার রানে প্রবেশ করলেন বিরাট।টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ১৪ হাজার রান করা ব্যাটারদের ইতিকথা থাকছে খেলা ৭১ এর আজকের আয়োজনে।

  • বিরাট কোহলি (৪০৯ ইনিংস)

টি-টোয়েন্টিতে ১৪ হাজার রানে প্রবেশ করতে বিরাট খেলেছেন মাত্র ৪০৯ ইনিংস। ২০২৪ সালে বিশ্বজয়ের পর আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে বিদায় নেন তিনি। তবুও থেমে থাকে না তাঁর টি-টোয়েন্টি রেকর্ড ভাঙা-গড়ার কীর্তি। আইপিএলে আরসিবির হয়ে ব্যাট হাতে রূপকথা লিখে যাচ্ছেন ক্রিকেটের এই বরপুত্র।

  • ক্রিস গেইল (৪২৩ ইনিংস)

এতদিন এই রেকর্ডের সিংহাসন ছিল ক্রিস গেইলের দখলে। টি-টোয়েন্টির ‘ইউনিভার্স বস’ এই রান করতে সময় নিয়েছিলেন ৪২৩ ইনিংস। যদিও তিনি এখন দ্বিতীয় স্থানে, তবুও এই ফরম্যাটে গেইল এক অমর কিংবদন্তি।

  • ডেভিড ওয়ার্নার (৪৩১ ইনিংস)

অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার আছেন তালিকার তিন নম্বরে। তার লেগেছে ৪৩১ ইনিংস। শুরু থেকেই বোলারদের ওপর চড়াও হওয়া ওয়ার্নারের সহজাত বৈশিষ্ট্য। বিশ্বের বিভিন্ন লিগে ওপেনার হিসেবে তিনি রানের পাহাড় গড়েছেন।

  • জস বাটলার (৪৬৮ ইনিংস)

ইংল্যান্ডের জস বাটলার এই মাইলফলক ছুঁয়েছেন ৪৬৮ ইনিংসে। আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ওপেনার তিনি। উইকেটের চারদিকে শট খেলার ক্ষমতা তাকে এই তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে। সাদা বলের ক্রিকেটে বাটলার এখন এক আতঙ্কের নাম।

  • অ্যালেক্স হেলস (৪০৫ ইনিংস)

তালিকার পঞ্চম স্থানে আছেন ইংল্যান্ডের আরেক ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ১৪ হাজার রান করতে তিনি খেলেছেন ৫০৫টি ইনিংস। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে হেলস একজন অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ব্যাটার। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজের আধিপত্য ধরে রেখেছেন।

  • কাইরন পোলার্ড (৬৩৩ ইনিংস)

ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাইরন পোলার্ড ৬৩৩ ইনিংসে এই ক্লাবে যোগ দিয়েছেন। যদিও ইনিংস বেশি লেগেছে, তবে তিনি মূলত ব্যাটিং করেন নিচের দিকে। একজন ফিনিশার হিসেবে ১৪ হাজার রান করা অবিশ্বাস্য এক অর্জন।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

জীবন তড়িৎ কোষে অ্যানোডে ক্রীড়ার উন্মাদনা আর ক্যাথোডে সাহিত্যের স্নিগ্ধ নির্যাস।

Share via
Copy link