নামলেই ফিফটি করেন যারা

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা প্রমাণের অন্যতম গ্রহণযোগ্য প্যারামিটার হলো হাফ সেঞ্চুরি। ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম এই ফরম্যাটে যেখানে প্রতিটি বলই মূল্যবান, সেখানে বারংবার পঞ্চাশ ছোঁয়া নিঃসন্দেহে দারুণ এক অর্জন। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ হাফ সেঞ্চুরি করা ব্যাটারদের তালিকা থাকছে এই গল্পকথনে।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ধারাবাহিকতা প্রমাণের অন্যতম গ্রহণযোগ্য প্যারামিটার হলো হাফ সেঞ্চুরি। ক্রিকেটের ক্ষুদ্রতম এই ফরম্যাটে যেখানে প্রতিটি বলই মূল্যবান, সেখানে বারংবার পঞ্চাশ ছোঁয়া নি:সন্দেহে দারুণ এক অর্জন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বোচ্চ হাফ সেঞ্চুরি করা ব্যাটারদের তালিকা থাকছে এই গল্পকথনে।

  • ডেভিড ওয়ার্নার (২৮ টি)

পঞ্চম স্থানে আছেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার।১১০ ম্যাচে তাঁর সংগ্রহ ২৮টি অর্ধশতক। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ার জুড়ে ৩৩.৪৪ গড়ে ৩২৭৭ করেছেন ওয়ার্নার। রয়েছে একটি শতক হাঁকানোর কীর্তিও।

  • মোহাম্মদ রিজওয়ান (৩০ টি)

তালিকার চতুর্থ স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। ১০৬ ম্যাচে ৩৪১৪ রান করা এই ডানহাতি ব্যাটার করেছেন ৩০টি ফিফটি।

  • রোহিত শর্মা (৩২ টি)

তৃতীয় স্থানে আছেন ভারতের অভিজ্ঞ ওপেনার ও বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক রোহিত শর্মা। ১৫৯ ম্যাচে ৪২৩১ রান করা রোহিত করেছেন ৩২টি অর্ধশতক। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ও পাওয়ারপ্লেতে ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার সামর্থ্যই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

  • বিরাট কোহলি (৩৮ টি)

তালিকায় রোহিতের ঠিক উপরের নামটি আধুনিক ক্রিকেটের অধিপতি বিরাট কোহলির। ১৩৭.০৪ স্ট্রাইক রেটে খেলা কোহলি চাপের মুহূর্তে ইনিংস ধরে রাখার পাশাপাশি ম্যাচ শেষ করার ক্ষমতার জন্যই টি-টোয়েন্টি অঙ্গনে বিশেষভাবে পরিচিত।

  • বাবর আজম (৩৯ টি)

বিরাটকে টপকে তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছেন পাকিস্তানি তারকা বাবর আজম। তালিকা জুড়েই যেন রীতিমতো এশিয়ানদের আধিপত্য। ৩৯টি ফিফটি নিয়ে সবচেয়ে উজ্জ্বল নামটি বাবরের। রয়েছে তিনটি শতক হাঁকানোর কীর্তিও।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link