নিত্য-নতুন সব নিয়মের ঝুলি খুলে বসছে ফ্রাঞ্চাইজি ক্রিকেট টুর্নামেন্টগুলো। সেই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) হাজির হয়েছে দু’টো একাদশের নিয়ম নিয়ে। পিএসএলের প্রথম ম্যাচেই দেখা গেল যে নিয়মের বাস্তবায়ন।
উদ্বোধনী ম্যাচে শাহীন শাহ আফ্রিদি আর মার্নাস লাবুশেন যখন টস করতে নামলেন, তখন তাদের হাতে ছিল দু’টি করে সম্ভাব্য একাদশও। লাহোর কালান্দার্স আর হায়দরাবাদ কিংসম্যান- দুই দলই টসের আগে জমা দিয়েছিল দু’টি ভিন্ন টিম শিট। এরপর টসের ফলাফল যেদিকে গড়াল, সিদ্ধান্তও সেদিকেই বাঁক নিল।

উপমহাদেশের রাতের ম্যাচ মানেই শিশিরের অদৃশ্য হামলা। দ্বিতীয় ইনিংসে ভেজা বলে স্পিনারদের হাত প্রায় অসহায় হয়ে পড়ে, আর ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় অনিয়ন্ত্রিত এই ফ্যাক্টরে। এই বাস্তবতাকে মাথায় রেখে নতুন নিয়মের প্রবর্তন। যেন টস জেতা-হারার প্রভাব কিছুটা হলেও কমে, যেন কৌশল প্রাধান্য পায়।
সে কারণেই পিএসএলের দলগুলকে দেওয়া হয়েছে সুযোগ। টসের আগে অধিনায়ক চাইলে দুইটা আলাদা একাদশ জমা দিতে পারবে। টস হয়ে গেলে, পরিস্থিতি বুঝে সেই দু’টির মধ্য থেকে একটি বেছে নিতে হবে। একবার চূড়ান্ত করে ফেললে আর পিছু হটার সুযোগ নেই-প্রতিপক্ষের অনুমতি ছাড়া একাদশে হাত দেওয়া নিষিদ্ধ।

এক্ষেত্রে আগে ব্যাটিং করতে হলে দলগুলো স্পিনার কমিয়ে পেসার বাড়ানোর সুযোগ পাবে। আবার পরে ব্যাটিং পেলে, বাড়তি ব্যাটার সংবলিত একাদশ বেছে নেওয়ার সুযোগও বহাল থাকল। এক কথায়, ভাগ্যের সঙ্গে সঙ্গে লড়াইটা এবার বুদ্ধিরও। তবে মজার ব্যাপার, মৌসুমের প্রথম ম্যাচেই শিশিরের কোনো প্রভাব ছিল না, মেঘলা আকাশের কারণে। কিন্তু এক নতুন নিয়মে দুয়ার ঠিকই উন্মোচিত হল।











