মিরপুরে জয়ের সুবাস নিয়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল এখন সিলেটে। দুই ম্যাচ সিরিজের শেষ টেস্টে মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। চায়ের দেশের এই মনোরম স্টেডিয়ামটি এবার সেজেছে একদম ভিন্ন আঙ্গিকে। সিলেটের উইকেট হবে পুরোপুরি স্পোর্টিং। পাকিস্তান কি পারবে এই সবুজ উইকেটে নিজেদের ফিরে পেতে?
বাংলাদেশের জন্য এই ম্যাচটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের হাতছানি। সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থাকা টাইগাররা সিলেটে ড্র করলেই সিরিজ জিতবে। আর জয় পেলে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করার গৌরব অর্জন করবে।
চোট কাটিয়ে এই টেস্টে ফিরতে পারেন বাবর আজম। দলের সেরা ব্যাটারের ফেরাটা সফরকারীদের জন্য নি:সন্দেহে বড় স্বস্তির খবর। তবে প্রশ্ন উঠছে, কেবল বাবরের ফেরাই কি পাকিস্তানের সিরিজ বাঁচাতে যথেষ্ট?

বর্তমান বাংলাদেশের পেস আক্রমণ এখন যেকোনো কন্ডিশনেই ভয়ংকর। নাহিদ রানার ১৫০ কিলোমিটার গতির হার্ড লেংথ ডেলিভারি কিংবা তাসকিন আহমেদের নিয়ন্ত্রিত সুইং সিলেটের উইকেটে পাকিস্তানের টপ অর্ডারের জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে দাঁড়াবে।
অন্যদিকে পাকিস্তানের পেস অ্যাটাকও এই কন্ডিশন কাজে লাগাতে মুখিয়ে আছে। শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলীরা যদি শুরুতে উইকেট নিতে পারেন, তবে বাংলাদেশের ব্যাটারদের জন্য কাজটা কঠিন হয়ে যাবে।
তবে স্বাগতিকদের বড় শক্তি তাদের মিডল অর্ডার। স্বয়ং অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত অপ্রতিরোধ্য ফর্মে। সেই সাথে মুমিনুল হক এবং মুশফিকুর রহিমদের ধারাবাহিকতা। সিলেটের স্পোর্টিং উইকেটে যারা সেশন ধরে ধৈর্য দেখাতে পারবে, দিনশেষে হাসিটা তাদের মুখেই ফুটবে।

বাবর আজম দলে ফেরায় পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে স্থিতি আসবে ঠিকই। কিন্তু টেস্টের মতো ফরম্যাটে একক নৈপুণ্যে সিরিজ বাঁচানো সম্ভব নয়। বিশেষ করে বাংলাদেশ যখন ঘরের মাঠে আত্মবিশ্বাসের তুঙ্গে থেকে একটি ইউনিট হিসেবে খেলছে। তখন পাকিস্তানকে জিততে হলে অসাধারণ কিছু করে দেখাতে হবে।











