তিলকের ঝড়ে পাঞ্জাবের পাঁচ হার!

টিপিকাল তিলক ভার্মা শো। ছক্কা হাঁকিয়েই ছুঁইয়েছেন পাঞ্জাব কিংসের ছুড়ে দেওয়া লক্ষ্য। এরপর আকাশে শরীর ছুড়ে দিয়ে বুনো উদযাপন, যেন একটা হিসাব বাকি ছিল, বাকি ছিল নিজের ক্ষমতার জানান দেওয়ার।

টিপিকাল তিলক ভার্মা শো। ছক্কা হাঁকিয়েই ছুঁইয়েছেন পাঞ্জাব কিংসের ছুড়ে দেওয়া লক্ষ্য। এরপর আকাশে শরীর ছুড়ে দিয়ে বুনো উদযাপন, যেন একটা হিসাব বাকি ছিল, বাকি ছিল নিজের ক্ষমতার জানান দেওয়ার।

২০০ রানের পুঁজি নিয়ে পাঞ্জাব আশায় বুক বেঁধেছিল। এই ম্যাচ জিততেই হতো, টানা চার হারে বিপর্যস্ত তরীটাকে প্লে-অফের ডাঙায় নেওয়ার এটাই যে সময়। তবে বাধা হয়ে দাঁড়ালেন একজন, এক তিলক ভার্মা।

দায়িত্ব ঘাড়ে নেওয়া, এই জিনিস তিলকের বহু পুরনো অভ্যাস। জাতীয় দল হোক কিংবা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। কতবারই চিনিয়েছেন নিজের জাত। তবে পাঞ্জাবের দুর্ভাগ্য এটাই যে, তিলকের সেই অভ্যাসের সাক্ষী হতে হলো।

ওপেনিং জুটি থেকেই অবশ্য মুম্বাই জেতার আভাস পেয়েছিল। ৬১ রান আসে সেখান থেকে। যার কৃতিত্বটা অবশ্য রায়ান রিকেলটনেরই প্রাপ্য। তাঁর বিদায়ের পর কিছুটা হোঁচট খায় মুম্বাই। নামান ধীর কিংবা রোহিত শর্মা কেউ পারেননি সেরাটা দিতে। অগত্যা সব দায়িত্ব বুঝে নিয়ে লাগাম ছাড়া ঘোড়ায় পরিণত হন তিলক ভার্মা। আগ্রাসী মেজাজে রান তুলতে থাকেন। বল আর রানের যে ব্যবধান সেটা কমানো তখন তাঁর একমাত্র দায়।

শেষদিকে আশঙ্কা জেগে ওঠে। শেষ ওভারেও ম্যাচে ছিল পাঞ্জাব। ১৫ রানের হিসাব মেলাতে হতো। উইল জ্যাকস ছক্কা হাঁকিয়ে মুম্বাইয়ের আশার পালে হাওয়া দেন। আর বাকিটা তিলকের কারসাজি। ৩৩ বলে ৭৫ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলে নিশ্চিত করেছেন দলের জয়। সেই সাথে পাঞ্জাবকে অনুভব করিয়েছেন টানা পাঁচ ম্যাচ হারের ব্যথা।

Share via
Copy link