পাঞ্জাবের ত্রাতা হয়ে এলেন ওমরজাই!

এবারের আসরে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছেন। তাও আবার দলের সবচেয়ে খারাপ সময়ে। আর এসেই বুঝিয়ে দিয়েছেন কেন তিনি স্পেশাল।

স্রেফ একটা ঝড় এসে উড়িয়ে নিয়ে গেল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের সাজানো পরিকল্পনা। ঝড়টার নাম আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ক্রিজে যখন এসেছিলেন দলের রান তখন ১২৩। সাত উইকেট হারাতে দেখেছেন ১৪০ রানের মাথায়। ১৬০ রানে পা রাখা নিয়েই যখন সংশয়, তখনই বার্তা ছুড়ে ওমরজাই জানান দিলেন, আমি তো আছি।

পাঞ্জাবের শুরুটা অবশ্য এতটা শোচনীয় ছিল না। সেখানে রাজ করেছেন প্রভসিমরান সিং। দলীয় ১০৭ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৫৭ রানে বিদায় বলেন তিনি। এরপরই ধস নেমে আসে। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে পাঞ্জাবের ব্যাটিং অর্ডার।

এমনিতেই টানা হারের পর আত্মবিশ্বাস শূন্যের কোটায়, টেবিলের শীর্ষ চার থেকে সরে আসতে হয়েছে। এর ওপর এমন বিপর্যয় ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল। আরও এক হার যে ঘাড়ের ওপর নিশ্বাস নিচ্ছে।

সেখানেই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রে হাজির ওমরজাই। ১৭ বল খেলেছেন, আর তাতেই ম্যাচের দৃশ্যটাই বদলে দিয়েছেন। দুই চার আর চার ছক্কায় ৩৮ রানের ইনিংস। ওটাই মূলত পাঞ্জাবকে ম্যাচে ফিরিয়ে নিয়েছে। স্কোরবোর্ডে এনে দিয়েছে ২০০ রানের বিশাল সংগ্রহ।

এবারের আসরে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেছেন। তাও আবার দলের সবচেয়ে খারাপ সময়ে। আর এসেই বুঝিয়ে দিয়েছেন কেন তিনি স্পেশাল। বিপদে সবাই খেই হারিয়ে ফেলে, আর ওমরজাই দেখালেন কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়। যেন তিনি এলেন, দেখলেন আর জয় করলেন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link