গোল করলেন, আবার করালেনও। জুড বেলিংহামের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে পানামাকে হারালো ইংল্যান্ড। আর বেলিংহাম প্রমাণ করলেন বড় মঞ্চ, বড় তারকাদের জন্যই।
বিশ্বকাপ শুরুর আগে ইংল্যান্ডের সম্ভাব্য একাদশ নিয়ে যত আলোচনা হয়েছে, তার বড় একটি অংশজুড়ে ছিল জুড বেলিংহাম। প্রশ্ন উঠেছিল, আদৌ কি তিনি প্রথম একাদশে জায়গা পাবেন? কিন্তু বড় মঞ্চে বড় খেলোয়াড়দের নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করতে নেই। থমাস টুখেল তার সামর্থ্যের ওপর আস্থা রেখেছিলেন, আর সেই আস্থার প্রতিদান দিতেই যেন নেমেছেন ২২ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার।

ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে গোল করে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন, আর পানামার বিপক্ষেও নিজের জাত চেনালেন।
পুরো ম্যাচ জুড়েই পানামার রক্ষণভাগ ছিল অবিশ্বাস্যভাবে শৃঙ্খলবদ্ধ। ইংল্যান্ড বলের দখল রাখলেও পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে বারবার হোঁচট খাচ্ছিল। আক্রমণগুলো যেন শেষ তৃতীয়াংশেই গিয়েই থেমে যাচ্ছিল। এমন এক সময় কর্নার থেকে আসা বলে ৬২ মিনিটের মাথায় গোল করে ম্যাচের অচলাবস্থা ভাঙেন বেলিংহাম। সেই গোল শুধু স্কোরলাইনই বদলায়নি, বরং বদলে দিয়েছে পুরো ম্যাচের গতি।

গোল করার পরও তার কাজ শেষ হয়নি। মাঝমাঠে দারুণ নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে একের পর এক আক্রমণ গড়েছেন। এরপর আসে ম্যাচের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত বাম দিক থেকে মাপা এক নিখুঁত ক্রস, আর সেখানে হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত ফিনিশ। গোলের নির্মাতা আবারও জুড বেলিংহাম। নামের পাশে এক গোল, এক অ্যাসিস্ট।










