ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠের লড়াই শেষ হওয়ার আগেই ভারতীয় ডাগআউটে বিদায়ের সুর বেজে উঠল! ২২ গজের লড়াই ছাপিয়ে এখন বড় আলোচনা ভারতের কোচিং স্টাফের রদবদল নিয়ে। গৌতম গম্ভীরের আস্থাভাজন বলে খ্যাত সহকারী কোচ রায়ান টেন ডেসকাট দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় মূলত এই আলোচনা।
চলতি ইংল্যান্ড সিরিজের শেষ ওয়ানডে ম্যাচটিই হতে যাচ্ছে টিম ইন্ডিয়ার হয়ে তার শেষ অ্যাসাইনমেন্ট। নিজের সরে দাঁড়ানোর কথা ইতিমধ্যে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়াকে (বিসিসিআই) আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন এই ডাচ তারকা।
দুই বছর আগে গৌতমের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল টেন ডেসকাটের ভারত অধ্যায়। কিন্তু হঠাৎ কেন এই প্রস্থান? কোনো মান-অভিমান বা পেশাদার অসন্তুষ্টি নয়, নেপথ্যে রয়েছে একেবারেই ব্যক্তিগত কারণ। লন্ডনে থাকা পরিবারকে আরও বেশি সময় দিতে চান তিনি। ক্রমাগত ভ্রমণের ক্লান্তি এড়িয়ে নমনীয় সূচির খোঁজে এই কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাবেক এই অলরাউন্ডার।

গৌতম গম্ভীরের বিশেষ সুপারিশেই টেন ডেসকাটকে কোচিং প্যানেলে যুক্ত করেছিল বিসিসিআই। নিয়মানুযায়ী হেড কোচ চাইলে এই পদত্যাগ আটকে দিতে পারেন। তবে বন্ধুর ব্যক্তিগত ইচ্ছায় গম্ভীর বাদ সাধবেন, এমন সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। ফলে ১৯ জুলাই লন্ডনের ওয়ানডে ম্যাচ দিয়েই যবনিকা ঘটছে এই জুটির একসঙ্গে পথ চলার।
এদিকে মাঠের সময়টাও তেমন ভালো যাচ্ছে না ভারতের। জাসপ্রিত বুমরাহ ও হার্দিক পান্ডিয়া ফিট না থাকায় আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভরাডুবি হয়েছে ভারতের। যা গম্ভীরের কোচিং ক্যারিয়ারে বড় ধাক্কা দিয়েছে।
তবে সাবেক নির্বাচক এমএসকে প্রসাদ মনে করেন, এখনই গম্ভীরকে কাঠগড়ায় তোলা ঠিক নয়। পূর্ণ শক্তির দল না পাওয়া পর্যন্ত কোচের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করাটা হবে অপরিণত সিদ্ধান্ত।

সে যাই হোক। চলতি ওয়ানডে সিরিজেই ডেসকাট অধ্যায়ের সমাপ্তি হতে চলেছে ভারতের কোচিংয়ে। গম্ভীরের পরিকল্পনায় এখন নতুন কোন সঙ্গী যোগ দেবেন, সেই উত্তর মিলবে শিগগিরই।










