রিচা ঘোষের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ২১৬ রানের পাহাড়সম স্কোর গড়েছে ভারত। অথচ স্মৃতি মান্দানা ও শেফালি ভার্মার ঝোড়ো সূচনার পর মাঝের ওভারগুলোতে অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরের ধীরগতির ব্যাটিং এবং স্মৃতির বিদায়ে ২০০ রান স্পর্শ করা নিয়েই শঙ্কা তৈরি হয়েছিল। সেখান থেকে শ্রীলঙ্কান বোলারদের ওপর রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে ম্যাচের গতিচিত্র একাই বদলে দেন রিচা।
ম্যাচের ১৫তম ওভারে ভারতের রান যখন তিন উইকেটে ১৪১, তখন উইকেটে আসেন রিচা ঘোষ। শ্রীলঙ্কার বোলারদের দিশেহারা করে মাত্র ২২ বলে ৪৯ রানের একটি অপরাজিত ও বিস্ফোরক ইনিংস উপহার দেন তিনি। ২২২.৭২ স্ট্রাইক রেটের এই ইনিংসে ছিল ছয়টি চোখধাঁধানো চার এবং তিনটি বিশাল ছক্কা।

বিশেষ করে কাভিন্দির পাঁচ বলে ১৫ রান এবং মিতালি অযোধ্যার তিন বলে ১২ রান তুলে নিয়ে রিচা শ্রীলঙ্কান ডেথ ওভার বোলিংকে চূর্ণবিচূর্ণ করে দেন। তাঁর তাণ্ডবেই শেষ পাঁচ ওভারে ৭৪ রান সংগ্রহ করে ভারত।
ম্যাচের শেষ মূহুর্তে দাঁড়িয়ে একদম আদর্শ ‘ফিনিশার’ রূপে আবির্ভূত হন এই তরুণ ব্যাটার। একপ্রান্ত ধরে রেখে প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর শেষ ওভারগুলোতে যে রুদ্ররূপ রিচা দেখিয়েছেন, তাতেই ফাইনালের মহারণে শ্রীলঙ্কা নারী দলের সামনে ২১৬ রানের এই বিশাল পাহাড়সম লক্ষ্য দিয়েছে ভারত।












