একজন পেসারের অভাব হাড়ে হাড়ে টের পেল বাংলাদেশ। দুই পেসার মিলে নিলেন চার উইকেট, তিন স্পিনার একটাও পাননি। যার খেসারত দিতে হয়েছে দলকে। ২৭ রানে তিন উইকেট হারানো ওয়েস্ট ইন্ডিজ দিনশেষে ২৩৫ রান তুলেছে চার উইকেট হারিয়ে। ভগ্নস্তূপ থেকে সোজা বসেছে চালকের আসনে।
মিরপুর টেস্ট হারের ক্ষত নিয়ে সিলেটে আগমন। টস ভাগ্য জিতে নিয়ে বাংলাদেশকে ফিল্ডিং করতে পাঠায় সফরকারীরা। তবে সেই সিদ্ধান্ত বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায় তাঁদের জন্য। তাসকিন আহমেদের ভয়ংকর সুইং শুরুতেই নাকাল করে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। সঙ্গে হাসান মাহমুদ যোগ দিলে ২৭ রানেই তিন উইকেট হারিয়ে বসে ক্যারিবীয়রা।
তবে এরপর আর বাংলাদেশ কোথাও নেই যেন। আমির জাঙ্গু একপ্রান্তের দখল নিয়ে নেয়। কেভিন উইকহ্যামকে সঙ্গে নিয়ে বিপর্যয় সামলে গড়ে তোলেন ১৩১ রানের জুটি। আদায় করেন সেঞ্চুরিও। সেটাই মূলত ভগ্নস্তূপ থেকে টেনে তোলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।

মাঝের সময়টাতে বাংলাদেশ কেবলই অসহায় হয়েছে। দুই পেসার মিলে চার উইকেট নিয়েছেন। তবে মাঝের সময়টাতে স্পিনারদের কেউই পারেননি কাঙ্ক্ষিত ব্রেকথ্রু এনে দিতে। তাই তো জাস্টিন গ্রেভসের সঙ্গে আরও ৭৭ রানের জুটি আসে। যা চালকের আসনে বসায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে।
প্রথম সেশনে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে, তবে পরের দুটো সফরকারীদের। এর দায় অবশ্য একাদশ নির্বাচনের যারা ছিলেন তাঁদেরই। সিলেটের এই উইকেটে স্পিনাররা সেভাবে ত্রাস ছড়াতে পারবেন না, একজন পেসারকে তাই মিস করেছে দল। তিন স্পিনার ঢের রান দিয়েছেন, সুযোগও তৈরি করতে ব্যর্থ।
দিনের শেষ ভাগে আলোকস্বল্পতা জেঁকে বসে। শেষ সেশনের শেষ ভাগে খেলাটা ঠিকঠাক গড়ায়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তোলে চার উইকেট হারিয়ে ২৩৫ রান। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতে নিয়েই শেষ করে দিন।











