কিং এনার্জেটিক কোহলি

মাঠ থেকে যখন বের হলেন তখন রাজার মতই ব্যাট ঘোড়ালেন। সবাই উঠে দাঁড়াল, একদিন বাদেই যার জন্মদিন সেই রাজা একদিন আগেই রিটার্ন গিফট দিয়ে ধরলেন সাজঘরের পথ। রাজার এই রূদ্ররূপ যত বেশিদিন চলে ততই তো খুশি হবেন প্রজারা।

প্রবল প্রতাপে তাঁর মাঠে থাকাটাই একটা বিনোদন। এবার সেই বিনোদনটা নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডে ধরা দিল একটু ভিন্নভাবে। রাজার পুরনো তলোয়ারে যেন নতুন করে ধার লেগেছে। এবার তিনি ম্যাচের পরিস্থিতি বুঝে, বোলার বুঝে খেলেন না, এবার তিনি খেলেন কেবলই উপভোগের মন্ত্র নিয়ে।

আর সেই মন্ত্রের ভাষা একটাই – আগ্রাসন। তিনি ব্যাট হাতে ঝড় তুলবেন, বোলাররা খেই হারিয়ে লাইন লেন্থ হারাবেন। বিরাট কোহলির আগ্রাসনের সেটাও চূড়ান্ত পরিণতি। যেন ঠাণ্ডা মাথার নটরাজ, মহাপ্রলয়ের উন্মাদ বাজনা বাজিয়ে বলে দিলেন – আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার আমি উষ্ণ চির-অধীর।

না, বিরাট কোনো কীর্তি তিনি নতুন করে গড়েননি। সেঞ্চুরিও করেননি। তবে যে মানসিকতা দেখিয়েছেন, তাতে ভিড়ের মধ্য থেকে সহজেই আলাদা করা গেছে তাকে। অ্যানিমেটেডে, এনার্জেটিক একটা ইনিংস খেলেছেন।

 

ম্যাচ শেষ করার তাড়া দেখাননি। সেই ক্ষুধার জায়গায় এখন কেবল উপভোগের তাড়নাটাই ছিল তাঁর মধ্যে। ৫১ বলে ৭৪ রান করলেন। ১৩ টি চারের সাথে হাকালেন একটা ছক্কা। মাঠ থেকে যখন বের হলেন তখন রাজার মতই ব্যাট ঘোড়ালেন। সবাই উঠে দাঁড়াল, একদিন বাদেই যার জন্মদিন সেই রাজা একদিন আগেই রিটার্ন গিফট দিয়ে ধরলেন সাজঘরের পথ। রাজার এই রূদ্ররূপ যত বেশিদিন চলে ততই তো খুশি হবেন প্রজারা।

Share via
Copy link