আধুনিক ক্রিকেটে রান আটকানোর থেকে উইকেট তোলা বেশি কার্যকর। আর্শদীপ সিং সেটাই বুঝিয়ে দিলেন। ১০ ওভারে ৭০ রান, ইকোনমি সাত। এই পরিসংখ্যান থেকে যে কেউ বলতে বাধ্য, বোলার ভালো করেননি। তবে যখন নামের পাশে চার উইকেট, তখন এটাকে মন্দ বলা যাবে কি? উত্তর, কোনোভাবেই না।
ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ১৮৫ রানে অলআউট নিউজিল্যান্ড। এর মধ্যে আর্শদীপ একাই দিয়েছেন ৭০ রান। বাকি বোলারদের কারো ইকোনমি সাড়ে পাঁচের ওপরে যায়নি। তবে এই সংখ্যাতত্ত্বের চেয়ে বড় বিষয়টা তাঁর। এই যে বাকিরা কম রান দিয়েছে, তার পেছনের অবদান আর্শদীপেরই।
যদি প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের শুরুতেই আটকে রাখা যায়, দুই-একটা উইকেট তুলে নেওয়া যায়, তবে অন্তত দিন শেষে ৪০-৫০ রান কম তুলতে পারে দলটি। শুরুতে উইকেট পড়ে গেলে ইনিংস বিল্ডআপের প্রয়োজন পড়ে। সেখানে এক উইকেটের বিনিময়ে অন্তত পাঁচ ওভার পিছিয়ে পড়ে ব্যাটিং দল।

ম্যাচের চিত্রে দেখা যায়, পাওয়ার প্লেতেই নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং অর্ডারের মেরুদণ্ড ভেঙেছেন আর্শদীপ। উইল ইয়ং আর হেনরি নিকোলসকে শুরুর দিকেই সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন। এই ধাক্কা সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছে তারা। সেই সুযোগটাই লুফে নিয়েছেন গুরনুর ব্রার আর আনশুল কম্বোজ। তাঁদের বিরুদ্ধে আর চড়াও হওয়ার সাহসই পায়নি নিউজিল্যান্ডের ব্যাটাররা।
শুধু শুরুতে নয়, শেষদিকেও ভয়ঙ্কর গ্লেন ফিলিপসকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন আর্শদীপ। শিকার বানিয়েছেন কাইল জেমিসনকেও। সবখানেই মূলত ইমপ্যাক্টের ছোঁয়া রেখে গেছেন।
এই সময়ের ক্রিকেটে এসে কে কত রান দিল, সেটার থেকে বড় বিষয় উইকেট তোলা। সেখানেই আর্শদীপ বাজিমাত করেছেন। চার উইকেট তুলে নিয়ে একাই ধসিয়ে দিয়েছেন কিউইদের ব্যাটিং লাইনআপ।











