২২ বলে ৪৪ রানের ঝড়ে মুগ্ধতা ছড়ালেন আরিফুল

৪৪ রানের মধ্যে ৩৮ রানই নিয়েছেন বাউন্ডারি থাকে। সাজঘরে যখন ফিরে যাচ্ছেন দলের রান ৬৫, যার মধ্যে তাঁর একারই ৪৪। ইনিংসটা বড় হলো না ঠিকই, কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে একজন ওপেনারের কাছে যা চাওয়া হয়, সেটা তিনি পুরোটাই দিয়ে গেছেন।

২২ বলে ৪৪ রান, স্ট্রাইক রেট ২০০। ফিফটি থেকে ছয় রান দূরে থেমে যাওয়া ইনিংসটা কীর্তিপুরে দর্শকদের মাতিয়ে গেল। নেপাল প্রিমিয়ার লিগের যেসব পিচে বাঘা বাঘা ব্যাটাররা খাবি খাচ্ছে সেখানে আরিফুল ইসলাম তাণ্ডব চালাচ্ছেন প্রতিটা দিন। তিন ম্যাচেই ত্রিশোর্ধ্ব ইনিংস, স্ট্রাইক রেট ১৭০ এর উপরে। এটাই বলে দেয় আরিফুল কি করছেন এনপিএলের মঞ্চে দাঁড়িয়ে।

স্বদেশি জিসান আলমের সাথে ওপেন করতে নামলেন এদিনও। কর্নালি ইয়াকসের সব দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই যেন। শুরুটাও হলো দূর্দান্ত। প্রথম ছয় বলে তুললেন ১২ রান। এরপর শুরু হলো এক ঝড়। আরেক স্বদেশি রিপন মন্ডলকে রীতিমতো অসহায় বানালেন। ওই ওভারেই তুললেন ২০ রান।

তবে আরিফুল নজর কাড়ছেন অন্য জায়গায়। তাঁর  ব্যাটিংয়ে এলোপাতাড়ি কিছু ছিল না। টেকনিক ছিল পরিষ্কার, শটগুলো ছিল ভেবেচিন্তে বাছাই করা। ক্রিকেটের ব্যাকারণ মেনে আগ্রাসী ব্যাটিং যাকে বলে। ফিল্ডার কোথায় দাঁড়িয়ে আছে দেখে ঠিক ফাঁকটা খুঁজে নিচ্ছিলেন। তবে আক্ষেপ একটাই। তিন ম্যাচে ৩০ পার করেও একটা ফিফটিও আদায় করতে পারেননি। কাঠমান্ডু গোরখাসের বিপক্ষে পাঁচ চার আর তিন ছক্কায় করা ৪৪ রানের ইনিংস সেই আক্ষেপটাই বাড়াল।

৪৪ রানের মধ্যে ৩৮ রানই নিয়েছেন বাউন্ডারি থাকে। সাজঘরে যখন ফিরে যাচ্ছেন দলের রান ৬৫, যার মধ্যে তাঁর একারই ৪৪। ইনিংসটা বড় হলো না ঠিকই, কিন্তু টি-টোয়েন্টিতে একজন ওপেনারের কাছে যা চাওয়া হয়, সেটা তিনি পুরোটাই দিয়ে গেছেন।

Share via
Copy link