তুরস্ককে হারিয়ে ফ্রান্সের পূর্ণ পয়েন্ট

নেশনস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তুরস্ককে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ফরাসিরা। ম্যাচ জুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণের দিকনির্দেশনা ফ্রান্সের হাতে থাকলেও, তুরস্কের সুশৃঙ্খল লো-ব্লক ডিফেন্স জিনেদিন জিদানের ফরাসিদের বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল।

নেশনস লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে তুরস্ককে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ফরাসিরা। ম্যাচ জুড়ে বলের নিয়ন্ত্রণ এবং আক্রমণের দিকনির্দেশনা ফ্রান্সের হাতে থাকলেও, তুরস্কের সুশৃঙ্খল লো-ব্লক ডিফেন্স জিনেদিন জিদানের ফরাসিদের বেশ কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলেছিল। শেষ পর্যন্ত জিদানের প্রথমার্ধ পরবর্তী কৌশলী রদবদল এবং ব্যক্তিগত দক্ষতার মিশেলেই জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বিশ্ব ফুটবলের এই পরাশক্তি।

জিদান ফ্রান্সের দায়িত্ব নিয়েই দলকে ৪-৩-৩ ফরমেশনে সাজান। তাঁর মূল পরিকল্পনা ছিল প্রথমার্ধ থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে রাখা এবং উইং প্রসারিত করে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করা। প্রথমার্ধে তুরস্কের টাইট ৪-১-৪-১ রক্ষণের কারণে মধ্যমাঠ থেকে চূড়ান্ত সুযোগ তৈরি করা বেশ কঠিন হয়ে উঠেছিল।

তবে বিরতির পর জিদান তার উইঙ্গারদের হাফ স্পেস ব্যবহার করার পরামর্শ দেন, যা ম্যাচের রূপ বদলে দেয়। ৫৪তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে মাইকেল ওলিসের বাড়ানো সুনির্দিষ্ট পাসে বক্সের ভেতর ফাঁকা জায়গা খুঁজে নেন কিলিয়ান এমবাপে। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করে জিদান যুগের প্রথম গোলটি এনে দেন তিনি।

গোল খাওয়ার পর তুরস্ক কিছুটা আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং দ্রুত ট্রানজিশনের মাধ্যমে কাউন্টার অ্যাটাকে ওঠার চেষ্টা করে। কম পজেশন থাকা সত্ত্বেও তারা ফরাসি ডিফেন্সকে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে পরীক্ষায় ফেলে এবং পাঁচটি শট অন টার্গেট রাখে।

তবে ফরাসিদের সুশৃঙ্খল ডিফেন্সিভ শেপ সেই চেষ্টা নস্যাৎ করে দেয়। ম্যাচের ৮৭তম মিনিটে জিদানের শিষ্যদের আরও একটি ডেঞ্জারাস কাউন্টার অ্যাটাক থামাত গিয়ে বক্সের বাইরে ফাউল করে বসেন তুর্কি গোলরক্ষক ইউগুরক্যান সাকির। ভিএআর দেখে রেফারি তাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখালে দশ জনের দলে পরিণত হয় তুরস্ক, যা ফরাসিদের জয় একপ্রকার সুনিশ্চিত করে ফেলে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link