বাংলাদেশের ক্রিকেটে কিছু অদ্ভুত যুক্তি আছে। কেউ যদি এক ফরম্যাটে ভালো খেলে, অন্য ফরম্যাটে জোর করে তাঁকে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। আবার উল্টো চিত্রও দেখা যায়। কেউ যদি এক ফরম্যাটে ব্যর্থ হয়, শাস্তিস্বরূপ অন্য ফরম্যাটেও নাম কাটা যায়। সাম্প্রতিক উদাহরণ হতে পারে সৌম্য সরকার।
টেস্ট দলে ডাক পেয়েছিলেন। তবে মাঠে নামা হয়নি। মাঝখানে জিম্বাবুয়ে আর আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দল থেকে বাদ পড়তে হলো। কারণ কী? ওয়ানডেতে তিনি ফেইল করেছেন।

এবার আসা যাক, টেস্টে সৌম্য কী করেছেন যে তাঁকে খেলাতেই হবে? গেল ন্যাশনাল ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) তিনি সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন। দলে সেই ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছিল। প্রশ্ন হচ্ছে, ঘরোয়া ক্রিকেট যদি জাতীয় দলে আসার মাধ্যম হয়, তবে কেন তিনি ম্যাচ খেলার সুযোগ না পেয়েই বাদ পড়বেন? বাদ পড়াটা কিসের ভিত্তিতে?
উত্তর অজানা। সিলেবাসের বাইরের টপিক হিসেবেই এসব ধরে নেওয়া যেতে পারে। কোনো রকমের হিসাব-নিকাশ ছাড়াই আসলে দল নির্বাচন হয়। এর মানদণ্ড আসলে কী, তা নিয়ে বোধহয় নির্বাচকরা সংশয়ে থাকেন। যে সিরিজে যাকে পছন্দ, তাকে নাও, কিংবা পরের সিরিজে বাদ দিয়ে দাও। এভাবেই চলে নিয়ম।

শুধু সৌম্যর বেলায় না। এর আগে বহুবার একই চিত্র দেখা গেছে অনেকের সঙ্গে। ফরম্যাটভেদেও দৃশ্যপট বদলায়নি। খেলোয়াড়রা জানেনই না কেনই বা তাঁরা ডাক পান, কেনই বা বাদ যান!










