দলে যখন ১১ জনই ম্যাচ উইনার, তখন যেকোনো খাদের কিনারা থেকেও জয় ছিনিয়ে আনা অসম্ভব নয়। ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলে ওভালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সেটাই আরও একবার প্রমাণ করল ভারত।
খাতা-কলমে যখন ম্যাচটা একপ্রকার হাতছাড়া হয়ে যাওয়ার কথা, ডাগআউটের আকাশে শঙ্কার মেঘ আর গ্যালারিতে যখন কেবলই নিরাশা, তখনই দৃশ্যপটে আসল রূপটা চিনে নেয় টিম ইন্ডিয়া। অভিষেক কিংবা স্যামসনরা দ্রুত ফিরে যাওয়ার পর মনে হচ্ছিল আজ আর রক্ষা নেই।
কিন্তু এই দলটার নাম যখন ভারত, তখন অন্ধকারের বুক চিরে আলো জ্বালানোর মানুষের কখনো অভাব হয় না। সেই করুণ পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তুললেন তিন তরুণ – তিলক ভার্মা, নমন ধীর আর নীতীশ কুমার রেড্ডি।

২৬ বলে ছয়টি চার ও একটি ছক্কার সাহায্যে অসাধারণ এক অপরাজিত ৫১ রান করে দলের ইনিংসের ভিত শক্ত করেন তিলক ভার্মা। কঠিনতম মুহূর্তে ক্রিজে এসেই মাত্র ১৭ বলে একটি চার ও তিনটি ছক্কায় ৩১ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলেন নামান ধীর, যা কিউই বোলারদের লাইন-লেন্থ এলোমেলো করে দেয়।
নমন ফিরে গেলে উইকেটে নেমে মাত্র ১৩ বলে অপরাজিত ২৬ রানের দারুণ এক ক্যামিও উপহার দেন নীতীশ রেড্ডি। টপ অর্ডার পুরোপুরি ব্যর্থ হলেও যে মিডল অর্ডারের কাঁধে চড়ে ম্যাচ বের করে আনা যায়, এই তিন তরুণের অসাধারণ ব্যাটিং তাণ্ডব সেটাই প্রমাণ করল।
দিনশেষে এটি কেবল একটি ম্যাচ জয় নয়। এটি এমন এক মানসিকতার জয়, যা বিশ্ব ক্রিকেটকে জানিয়ে দেয় – পরিস্থিতি যেমনই হোক, ভারত যেকোনো সময় ম্যাচ ছিনিয়ে আনতে পারে। কারণ এই স্কোয়াডের প্রতিটি খেলোয়াড়ই একেকজন ম্যাচ উইনার।












