অ্যানফিল্ডের চেনা সবুজ গালিচায় শুরু থেকেই নিজেদের আগ্রাসী মেজাজ জানান দিল লিভারপুল। ম্যাচের প্রথম কুড়ি মিনিটের ঝোড়ো তাণ্ডবে ব্রাইটন অ্যান্ড হোভ আলবিওনকে পাত্তাই দিল না অলরেডরা। প্রথমার্ধের মাত্র পাঁচ মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোলে গড়ে ওঠা সেই শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ল আন্দোনি ইরাওলার শিষ্যরা।
এই জয়ে প্রিমিয়ার লিগে আট ম্যাচে চার জয়, তিন ড্র ও এক হারে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চার নম্বরে নিজেদের অবস্থান আরও সুসংহত করল লিভারপুল। ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণে সফরকারী ব্রাইটন কিছুটা এগিয়ে থাকলেও আক্রমণে ধার ছিল স্বাগতিকদেরই।

ম্যাচের ১৭ মিনিটে সেই আক্রমণের ফলও পেয়ে যায় অলরেডরা। বক্সের ভেতর ব্রাইটনের মিডফিল্ডার পাস্কাল গ্রোসের পায়ে লেগে বল নিজেদের জালেই জড়ায়, যা থেকে আত্মঘাতী গোলের সুবাদে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লিভারপুল।
প্রতিপক্ষের এই আত্মঘাতী গোলের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার আগেই ২১ মিনিটে অ্যানফিল্ডের দর্শকদের আবারও উল্লাসে ভাসান সুয়েডিশ স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার ইসাক। ব্র্যাডলে বারকোলার নিখুঁত অ্যাসিস্ট কাজে লাগিয়ে বক্সের ডান দিক থেকে জোরালো শটে বল সোজা জালে পাঠান তিনি, যা স্কোরলাইন ২-০ করে দেয়।

বিরতির পর ব্রাইটন ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টা চালালেও লিভারপুলের জমাট রক্ষণভাগ আর গোছানো মিডফিল্ড ভেঙে জালের দেখা পায়নি তারা। ৬৪ শতাংশ বল পজেশন নিজেদের পায়ে রেখেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত খালি হাতেই মাঠ ছাড়তে হয় সফরকারীদের। প্রথমার্ধের ওই দুই গোলের লিড শেষ পর্যন্ত সফলভাবে রক্ষা করে মূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে লিভারপুল।











