ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে অসহায় বাংলাদেশ!

ব্যাটিং থেকে ফিল্ডিং, কিংবা বোলিং, সব বিভাগেই বাংলাদেশ ডাহা ফেল। যার খেসারত মিরপুর টেস্ট হাতছাড়া করেই দিতে হলো নাজমুল হোসেন শান্তদের। কোনো রকম লড়াই ছাড়াই চার দিনেই ম্যাচ জিতে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাও আবার আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।

ব্যাটিং থেকে ফিল্ডিং, কিংবা বোলিং, সব বিভাগেই বাংলাদেশ ডাহা ফেল। যার খেসারত মিরপুর টেস্ট হাতছাড়া করেই দিতে হলো নাজমুল হোসেন শান্তদের। কোনো রকম লড়াই ছাড়াই চার দিনেই ম্যাচ জিতে নিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাও আবার আট উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।

১৭০ রানের লক্ষ্য দিয়ে কি আর ম্যাচ জেতা যায়? একের পর এক ভুল করে গেলে জেতার আশা কিছুতেই থাকে না। বাংলাদেশকেও তাই পরাজয় বরণ করতে হলো। ব্যাটারদের ভরাডুবির পর বোলাররা উদ্ধার করতে পারলেন না আর দলকে।

৭৯ রানে ছয় উইকেট হারানো অবস্থা থেকে চতুর্থ দিন শুরু করে বাংলাদেশ। জাকের আলী এবং নাঈম হাসান আশার শেষ শলতে নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ১০৬ রানের লিডটাকে যতদূর টেনে নিয়ে যাওয়া যায়, সেটাই ছিল চেষ্টা। তবে জাকের পারেননি, নাঈম দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত ১৭০ রানের টার্গেট ছুঁড়ে দিয়েছেন প্রতিপক্ষকে।

এই স্কোর দিয়ে ম্যাচ জেতার আশা করা যায় না। তবুও ক্রিকেটে তো অনেক কিছুই হয়। অসম্ভব কখনো কখনো সম্ভব হয়ে যায়। বাংলাদেশের লড়াই করার রসদ ছিল এটাই। তবে তার জন্য শুরু থেকেই উইকেট দরকার, প্রতিপক্ষের শিকড় জেগে ওঠার আগেই গুঁড়িয়ে দেওয়া দরকার। সেখানেই ব্যর্থ হলো বোলাররা।

স্পিনারদের দিয়েই আক্রমণ শানালেন নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে কাজের কাজ হলো না তাতে। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ১১৩ রান পায় ওপেনিং জুটি থেকেই। জন ক্যাম্পবেল আর ব্র্যান্ডন কিং মিলে রান তোলেন ওয়ানডে স্টাইলে। ৪৯ রানে শরিফুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন ক্যাম্পবেল, তেজনারায়ণ চন্দরপলও টিকে থাকতে পারেননি। হাসান মাহমুদ তুলে নেন তাঁকে।

বাংলাদেশের সাফল্য বলতে এটাই। একপ্রান্তে ব্র্যান্ডন কিং দুইবার জীবন পেয়ে ম্যাচ নিজেদের করে নেন। আট উইকেটের বিশাল পরাজয় নিয়েই মিরপুর টেস্ট শেষ করে বাংলাদেশ।

ব্যাটিং ব্যর্থতা, বোলারদের নিষ্প্রভ বোলিং, কিংবা ফিল্ডারদের একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ আসলে কোথাও ছিল না এই টেস্টে। নিজেদের পাতা ফাঁদেই নিজেরাই পাক খেয়েছে। স্পিনিং ট্র্যাক বানিয়ে জিতে যাওয়ার দিন শেষ, ওয়েস্ট ইন্ডিজ তা বুঝিয়ে দিল চোখে আঙুল দিয়ে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link