উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের রোমাঞ্চকর রাতে আর্লিং হাল্যান্ডের জয়সূচক গোল বা ম্যাচের নাটকীয়তা হয়তো সবার নজর কেড়েছে, তবে রেড বুল অ্যারেনায় এঞ্জো মারেস্কার এই কঠিন বৈতরণী পার হওয়ার আসল কারিগর লুকিয়ে ছিল দলের মাঝমাঠে। ম্যাচের কঠিন পাজল বা গোলকধাঁধা মেলানোর নেপথ্যের গল্পটা বুনেছেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন ও এনজো ফার্নান্দেজ।
ম্যাচটিতে জার্মানির ক্লাব লাইপজিগ এমন এক কৌশল সাজিয়েছিল, যেখানে সিটির স্বাভাবিক পাসিং গেম বারবার আটকে যাচ্ছিল। রিডলে বাকু ও আন্তোনিও নুসার গোলে স্বাগতিকরা যখন দুবার সমতা ফিরিয়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে, তখন মাঝমাঠের দখল ধরে রাখাই ছিল সিটির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। আর এই গুরুদায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন অ্যান্ডারসন ও এনজো।

মাঝমাঠের পজিশনিং এবং বলের জোগান বজায় রাখার ক্ষেত্রে ম্যাচজুড়ে দারুণ পরিপক্বতা দেখিয়েছেন এলিয়ট অ্যান্ডারসন। তার রানিং ও নিখুঁত ভিশন লাইপজিগের প্রেস ভেঙে সিটির আক্রমণভাগে প্রাণসঞ্চার করেছিল। যার স্বীকৃতিস্বরূপ ম্যাচের শেষভাগে তার বাড়ানো পাস থেকেই জয়সূচক গোলটি আদায় করে নেন হাল্যান্ড।
অন্যদিকে, এনজো ফার্নান্দেজের ট্যাকটিক্যাল ডিসিপ্লিন এবং বল উইনিং অ্যাবিলিটি সিটির মাঝমাঠকে দেয় কাঙ্ক্ষিত ভারসাম্য। বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে তার চমৎকার হেডার গোল সিটিকে ম্যাচে আবারও এগিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি মানসিকভাবে চাঙ্গা করে তোলে।

ফুটবলে দিনশেষে স্ট্রাইকাররা গোল করে খবরের শিরোনাম হন, কিন্তু মাঠের আসল লড়াইটা জেতেন মাঝমাঠের কারিগররা। লাইপজিগের বিপক্ষে সিটির এই রোমাঞ্চকর জয়ে কোচ এঞ্জো মারেস্কার কৌশল সফল করতে অ্যান্ডারসন ও এনজো জুটির এই কার্যকরী পারফরম্যান্সই গড়ে দিয়েছে ব্যবধান।











