“তুমি তো মাত্র তিনটা ম্যাচ খেলেছ।” ড্যারিল মিশেল ওয়েলিংটনে গুরনুর ব্রারকে এমনই কিছু বলেছিলেন। ব্রার তখন উত্তর দেননি, ফিরে গেছেন নিজের মার্কে। জবাবটা দিয়েছেন বল হাতে, নিউজিল্যান্ডের মিডল অর্ডার একেবারে তছনছ করে ছেড়েছেন ব্রার।
ভেজা আউটফিল্ডের কারণে দেরি তে শুরু হওয়া ম্যাচে টস জিতে বোলিং নেয় ভারত। নতুন বলে আকিব নবি দুই ওপেনারকে ফেরান, প্রথম ওভারেই নিকোলসকে বোল্ড করেন আনশুল কম্বোজ। ২৩ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে কিউইরা তখন চাপে। সেই চাপকে ধসে রূপান্তরিত করেন ব্রার।
শুরু থেকে একই জায়গায় বল করেছেন। কোনরকম বাড়তি কিছু না, নিউজিল্যান্ডের সিম কন্ডিশন কাজে লাগিয়ে স্রেফ গুড লেন্থে বল ফেলে যাওয়া। দুটো মেইডেন নিয়েছেন তাও আবার উইকেটসহ। এটাই বলে দেয় কতখানি নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রারের।

১৯তম ওভারে ফিরে প্রথম বলেই পাতলেন শর্ট বলের ফাঁদ। ১৪১ কিলোমিটার গতির বলে পুল করতে গিয়ে টম লাথামের টপ এজ, ডিপ স্কয়ার লেগে ক্যাচ নিলেন নামান ধীর। একই ওভারে প্রায় একই বলে ফিরলেন গ্লেন ফিলিপসও। ৫৩ রানে ৫ উইকেট তখন নিউজিল্যান্ডের। সিরিজে পুল-হুক খেলতে গিয়ে পাঁচবার আউট হয়েছেন কিউই ব্যাটাররা, গড় মাত্র ৬.৬০। ব্রার এই দুর্বলতাই কাজে লাগিয়েছেন বারবার।
৩৪তম ওভারের আগে মিশেলের সঙ্গে তাঁর বেশ লম্বা কথা কাটাকাটিও হয়েছে। মিশেল নাকি বলেছিলেন, “তুমি তো মাত্র তিনটা ম্যাচ খেলেছ।” মিশেল ফিফটি করলেন ঠিকই, কিন্তু পরের বলেই ফিরলেন অক্ষরের হাতে। এরপর মিশেল স্যান্টনারকেও ১৪৩ কিলোমিটার গতির ডেলিভারিতে ফেরালেন ব্রার। শেষে নাথান স্মিথও ধরা পড়লেন রোহিতের হাতে। কিউইদের পুরো মিডল অর্ডার নিয়ে ছেলেখেলা করেছেন ব্রার। মেরুদন্ডটাই ভেঙে দিয়েছেন তাঁদের।
বোলিং ফিগারটা দাঁড়ায় ১০ ওভারে দুই মেইডেন সমেত ৩০ রানে চার উইকেট। নিউজিল্যান্ড গুটিয়ে গেছে ১৩৪ রানে। যা ঘরের মাঠে ভারতের বিপক্ষে সর্বনিম্ন স্কোর। যার পেছনের কারিগর ব্রার।











