প্রথমার্ধ দেখে মনে হচ্ছিল, ভ্যাঙ্কুভারের এই ম্যাচের ভাগ্য বুঝি গোলশূন্য ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছে। কানাডা সুযোগ তৈরি করেছে, সুইজারল্যান্ডও চেষ্টা করেছে; কিন্তু দুই দলের কেউই জালের দেখা পায়নি। বিরতিতে তাই স্কোরবোর্ডে লেখা ছিল নিরস এক ০-০।
কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হওয়ার পর যেন মাঠে নেমেছিল একেবারে অন্য এক সুইজারল্যান্ড। বিরতির পর প্রথম মিনিটেই আসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া মুহূর্ত। কানাডার রক্ষণ ভেঙে দেন রুবেন ভার্গাস। তাঁর নিখুঁত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় সুইসরা।

গোল হজম করার পর কানাডা চেষ্টা করেছিল ম্যাচে ফেরার। কিন্তু সেই চেষ্টার মাঝেই আবারও আঘাত হানে সুইজারল্যান্ড। ম্যাচের ৫৭ মিনিটে ইয়োহান মানজাম্বি দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দেন। মাত্র ১১ মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল, আর তাতেই পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় সুইসরা।
তবে পাল্টা জবাব একেবারেই আসবে না, তাই কি হয়। ৭৫ মিনিটে মাঠে নামলেন কানাডার প্রমিস ডেভিড। আর এক মিনিটের মধ্যে দলকে এনে দিলেন গোল। ম্যাচে প্রাণ ফিরে আসে, একটা সম্ভাবনা উঁকি দেয় কানাডার জন্য।

পরের সময়টা প্রবল আক্রমণ চালিয়েছে তারা। সুইসদের রক্ষণে তাণ্ডব চালিয়েছে একটা গোলের জন্য। তবে দিনশেষে সেটা আর পাওয়া হয়নি। অর্থাৎ ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে সুইজারল্যান্ড। তবে এই ম্যাচের জয়-পরাজয় ছাপিয়ে দুই দলই যে প্রবেশ করেছে পরের রাউন্ডে।










