কোচিংয়ে যাকে আদর্শ মানেন জাভি

বার্সেলোনার ইতিহাসের সর্বকালের সেরা মিডফিল্ডারদের একজন তিনি। ফুটবল ক্যারিয়ারের ইতি টেনে এখন কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কাতালানদের। কয়দিন আগেই রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে সুপার কাপের শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে কোচিং ক্যারিয়ারে নিজের প্রথম শিরোপা জিতেছেন জাভি।

সামনেই রিয়াল সোসিয়েদাদের বিপক্ষে কোপা দেল রের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলতে নামবে রিয়াল। সেই ম্যাচের আগে বার্সা কোচ জাভি জানালেন সোসিয়েদাদের কোচের কাছ থেকে অনেকটাই অনুপ্রেরণা পান তিনি।

চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে দীর্ঘদিনের ট্রফি খড়া কাটিয়েছে বার্সেলোনা। মেসি পরবর্তী যুগে এটিই বার্সার প্রথম শিরোপা। সেই শিরোপা জেতার সপ্তাহ না পেরোতে আরেক শিরোপা মিশনে নামছে জাভি শিষ্যরা। কোপা দেল রের শেষ আটের লড়াইয়ে দারুণ ছন্দে থাকা রিয়াল সোসিয়েদাদের মুখোমুখি হবে কাতালানরা। এই মুহুর্তে লা লিগার সবচেয়ে ফর্মে থাকা দুই দলের লড়াই তাই বাড়তি আকর্ষণ ছড়াচ্ছে।

ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে জাভি বলেন, ‘দারুণ একটি ম্যাচ হবে। দুটো দলই দারুণ ছন্দে আছে। রিয়াল সোসিয়েদাদ দারুণ দল। কোচ ইমানোল আল্গুয়াসিল দলকে দারুণ ভাবে প্রস্তুত করেছেন।’

Imanol-Alguacil-khela71

তবে ম্যাচের আগে সোসিয়েদাদ কোচের জন্য চিন্তার বিষয় দলের ইনজুরি। নিয়মিত খেলোয়াড়দের মধ্যে সাত জনকেই পাচ্ছেন না কোচ আল্গুয়াসিল। যদিও পূর্ণ শক্তির দলই পাচ্ছেন জাভি।

সংবাদ সম্মেলনে কোচ আল্গুয়াসিলের ভূয়সী প্রসংশা করেন জাভি। কোচিং দর্শনে তাঁর কাচ থেকে অনেকটাই অনুপ্রাণিত বলেও জানান তিনি, ‘ইমানোলের কৌশল দারুণ। রিয়াল সোসিয়েদাদের হয়ে শিরোপা জিতে তিনি নিজেকে ইতোমধ্যেই প্রমাণ করেছেন। আমার কাছে তিনি একজন অনুপ্রেরণা কিভাবে দলকে নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। আমি সোসিয়েদাদের বেশ কিছু জিনিস পছন্দ করি, তাঁরা দারুণ দল। যার অনেকটাই কৃতিত্বের দাবিদার কোচ ইমানোল।’

টানা তিন মৌসুম ধরে সোসিয়েদাদকে কোচিং করাচ্ছেন কোচ ইমানোল। দুই মৌসুমে ষষ্ঠ এবং একটি মৌসুমে পঞ্চম হয়ে লিগ শেষ করেন তিনি। তবে চলতি মৌসুমে গত কয়েক মৌসুমের চেয়েও দারুণ ছন্দে আছে সোসিয়েদাদ। বলের পজিশন ধরে রেখে খেলতে পছন্দ করেন ইমানোল। তাঁর কোচিং ভাল সময় পার করছে সোসিয়েদাদ। বার্সা কিংবদন্তী জাভিও মুগ্ধ আল্গুয়াসিলের কোচিং দর্শনে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link