বেলজিয়ামকে হারিয়ে জিদানের দ্বিতীয় জয়!

উয়েফা নেশনস লিগে বেলজিয়ামকে ঘরের মাঠে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ফ্রান্স। ম্যাচে বল দখলের লড়াই, মাঝমাঠের আধিপত্য এবং কৌশলগত খেলায় স্বাগতিক বেলজিয়ামকে টেক্কা দিয়েছে জিনেদিন জিদানের দল।

উয়েফা নেশনস লিগে বেলজিয়ামকে ঘরের মাঠে ১-০ ব্যবধানে হারিয়েছে ফ্রান্স। ম্যাচে বল দখলের লড়াই, মাঝমাঠের আধিপত্য এবং কৌশলগত খেলায় স্বাগতিক বেলজিয়ামকে টেক্কা দিয়েছে জিনেদিন জিদানের দল। ম্যাচের শেষ দিকে বদলি হিসেবে নামা মাইকেল ওলিসের একক ব্যবধান গড়ে দেওয়া গোল ম্যাচ নির্ধারণ করে দেয়।

ম্যাচ শুরুর বাঁশি থেকেই ফ্রান্স ৪-৩-৩ ফরমেশনে পজেশনভিত্তিক আক্রমণের কৌশল নেয়। মাঝমাঠে ফ্রান্সের ৯৪ শতাংশ পাসের নির্ভুলতা ছিল মূল নিয়ন্ত্রক। বেলজিয়ামকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়ে ফরাসি মিডফিল্ডাররা প্রতিনিয়ত হাফ স্পেস তৈরি করে উইং আক্রমণ সক্রিয় রাখেন।

​অন্যদিকে স্বাগতিক বেলজিয়াম ডিফেন্সিভ লো ব্লক কৌশলে খেলে ফ্রান্সকে আটকানোর পরিকল্পনা করেছিল। বল পজিশনে মাত্র ৩৫ শতাংশ থাকলেও তারা দ্রুত উইং আক্রমণ ও কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগ খুঁজছিল। তবে ফ্রান্সের ডিফেন্সিভ ট্রানজিশন এতই শক্ত ছিল যে বেলজিয়াম সুযোগ পেলেও প্রতিপক্ষের ডি বক্সে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারেনি।

ফরাসি ফরোয়ার্ডদের একের পর এক আক্রমণ সামলাতে বেলজিয়ামের গোলরক্ষক সেন ল্যামেন্স দারুণ দক্ষতা দেখান। ফ্রান্সের মোট ১৮টি শটের বেশিরভাগই ছিল টার্গেটে। ল্যামেন্সই একের পর এক সেভ করে দলকে প্রায় ৯০ মিনিট পর্যন্ত সমতায় টিকিয়ে রেখেছিলেন।

​ম্যাচের সবচেয়ে বড় ট্যাকটিকাল পরিবর্তন আসে শেষ দিকে। বেলজিয়ামের শারীরিক ডিফেন্স ভেদ করতে পারছিল না ফ্রান্স। ঠিক এমন মুহূর্তে বলের নিয়ন্ত্রণ ও দূরপাল্লার শটের ক্ষমতা বিবেচনা করে মাইকেল ওলিসেকে মাঠে নামান জিদান। ওলিসে উইং থেকে কেটে ভেতরের দিকে চলে এসে বেলজিয়ান ডিফেন্ডারদের আনব্যালেন্স করেন এবং ৮৮তম মিনিটে বক্সের বাইর থেকে এক দুর্দান্ত বাঁ পায়ের শটে বল জালে জড়িয়ে দেন।

দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়কে বেঞ্চে রেখেও এই জয়ের মাধ্যমে ফ্রান্স নিজেদের ট্যাকটিকাল পরিপক্কতা ও শক্তির প্রমাণ দিল। পুরো সময় নিয়ন্ত্রণ রেখেও গোল পাচ্ছিল না ফরাসিরা, তবে কৌশলগত নমনীয়তা এবং সঠিক সময়ে বেঞ্চের ব্যবহার নিশ্চিত করেই শেষ পর্যন্ত পুরো তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নেয় তারা।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

Share via
Copy link