এসিসির মসনদে বসতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল!

তবে কি সব সমীকরণ মিলিয়ে এসিসির মসনদে এবার বসতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল?

এশীয় ক্রিকেটের ক্ষমতার মঞ্চে বাজছে বদলের ঘণ্টা। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) বর্তমান প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভির ওপর পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর অধিকাংশের সমর্থন না থাকায়, তাঁর মেয়াদ আর বাড়ছে না। তবে কি সব সমীকরণ মিলিয়ে এসিসির মসনদে এবার বসতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবাল?

বর্তমান এসিসি সভাপতি মহসিন নাকভির মেয়াদ আগামী বছরের এপ্রিলে শেষ হওয়ার কথা। নিয়মানুযায়ী তাঁর মেয়াদ বাড়াতে হলে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সমর্থন দরকার।

কিন্তু আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো বলছে, সেই সমর্থন পাওয়া নাকভির পক্ষে প্রায় অসম্ভব। বিশেষ করে ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানকে নিয়ে গঠিত বোর্ডের মধ্যে ভারতের সঙ্গে বিরোধের জেরে অন্তত তিনটি দেশ তাঁর মেয়াদ বৃদ্ধির বিপক্ষে অবস্থান নিতে পারে। এমনকি সম্প্রতি নারী এশিয়া কাপ কিংবা পুরুষদের এশিয়া কাপের ফাইনাল শেষে বিজয়ী ভারত দল নাকভির হাত থেকে ট্রফি না নেওয়ার ঘটনা সেই উত্তাপকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এসিসির নিয়ম অনুযায়ী, পাঁচ পূর্ণ সদস্যদেশের মধ্যে প্রতি দুই বছর পরপর সভাপতির দায়িত্ব আবর্তিত হয়। সেই পরিক্রমায় এবার সভাপতি পদের স্বাভাবিক দাবিদার বাংলাদেশ। বিসিবি প্রধান তামিম ইকবালও এই মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্ব নিতে যথেষ্ট আগ্রহী।

 

অতীতে শ্রীলঙ্কা সভাপতিত্ব করতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণে ভারতের জয় শাহের মেয়াদ তৃতীয় দফায় বেড়েছিল ২০২৫ সাল পর্যন্ত। এরপর নাকভি দায়িত্বে এলেও সদস্য দেশগুলোর অকুণ্ঠ সমর্থন পাওয়ার সুযোগ তাঁর নেই বললেই চলে।

এ নিয়ে এসিসির এক সদস্য গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “২০২৭ সালের এপ্রিলে নাকভির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও নাকভির ক্ষেত্রে সেই সম্ভাবনা নেই। পরবর্তী দায়িত্ব বাংলাদেশের নেওয়ার কথা এবং তামিম ইকবাল সেই দায়িত্ব নিতে আগ্রহী বলে সদস্যরা ধারণা করছেন।”

সব বাধা পেরিয়ে এবার কি তবে এশীয় ক্রিকেটে লাল-সবুজের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে যাচ্ছেন তামিম ইকবাল? সময়ই দেবে জবাবটা!

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link