এক মুহূর্তের ভুলেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। নরওয়ের বিপক্ষে সেটাই হয়েছিল ইংল্যান্ডের সঙ্গে। তবে যখন দল সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে, তখনই সামনে এলেন জুড বেলিংহাম। একা হাতে ম্যাচের গল্প বদলে দিয়ে ইংল্যান্ডকে পৌঁছে দিলেন সেমিফাইনালে।
শুরু থেকেই বলের দখল ছিল ইংল্যান্ডের। প্রথমার্ধে প্রায় ৬৮ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল তারা। একের পর এক আক্রমণও হচ্ছিল। কিন্তু ম্যাচের ৩৬ মিনিটে গোল এল নরওয়ের। স্রোতের বিপরীতে গোল খেয়ে চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড।
ঠিক তখনই দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন বেলিংহাম। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের বাড়ানো বল থেকে দুর্দান্ত ফিনিশে সমতায় ফেরান ইংল্যান্ডকে। গোলটি শুধু স্কোরলাইন ১-১ করেনি, ইংল্যান্ডকে মানসিকভাবেও ম্যাচে ফিরিয়ে আনে। সেই সমতা নিয়েই শেষ হয় প্রথমার্ধ।

দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই জয়ের জন্য লড়াই চালিয়ে যায়। তবে নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে স্কোরলাইন ছিল ১-১। ফলে ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর সেখানেই আবারও নায়ক বেলিংহাম।
অতিরিক্ত সময়ের ৯৩তম মিনিটে মরগান রজার্সের শট নরওয়ের গোলরক্ষকের হাত ফসকে বেরিয়ে যায়। বেলিংহাম ছিলেন ঠিক সেই জায়গাতেই। ফিরতি বলে এক স্পর্শে জালে পাঠিয়ে দেন তিনি।
ইংল্যান্ড ২, নরওয়ে ১। এই গোলেই প্রথমবারের মতো ম্যাচে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। আর কোনো বিপর্যয় ঘটেনি। বেলিংহামের জোড়া গোলই ইংল্যান্ডকে এনে দেয় সেমিফাইনালের টিকিট।

পুরো ম্যাচজুড়েই ইংল্যান্ডের প্রাণভোমরা ছিলেন জুড বেলিংহাম। প্রথমে সমতায় ফেরানো গোল, তারপর অতিরিক্ত সময়ে জয়ের গোল, দুই মুহূর্তেই তিনিই ছিলেন দলের ভরসা, ইংল্যান্ডের ত্রাতা।










