উদ্বোধনী গোল মানেই মেসি টুর্নামেন্ট সেরা!

এখন অবধি যতবার প্রথম ম্যাচে গোল দিয়েছেন মেসি ততবারই টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন সেরা খেলোয়াড় হিসেবেই।

আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই লিওনেল মেসির গোল! ইতিহাস বলছে, এখন অবধি মেসি যতবার প্রথম ম্যাচে গোল দিয়েছেন ততবারই টুর্নামেন্ট শেষ করেছেন সেরা খেলোয়াড় হিসেবে। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে দাঁড়িয়েও কি সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করতে পারবেন মেসি?

মেসির ক্যারিয়ারের প্রতিটি বড় টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ যেন তাঁর ব্যক্তিগত শ্রেষ্ঠত্বের এক অলিখিত সূচক। ২০১৪ বিশ্বকাপে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেই মেসির গোলটি ছিল আর্জেন্টিনার জয়ের চাবিকাঠি। সেই আসরে পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে তাঁর জাদুকরী পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনা ফাইনালে উঠেছিল এবং মেসি জিতে নিয়েছিলেন আসরের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার – ‘গোল্ডেন বল’।

২০১৫ সালের কোপা আমেরিকায় চিলির মাটিতে প্রথম ম্যাচে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে গোল করেন মেসি। পরবর্তীতে টুর্নামেন্টজুড়ে তাঁর অসামান্য পারফরম্যান্সে আর্জেন্টিনা ফাইনালে ওঠে এবং মেসি আসরের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হন।

২০২১ সালের কোপা আমেরিকাতেও প্রথম ম্যাচেই মেসির সেই ফ্রি-কিক গোলটি ছিল যেন এক স্বপ্নের শুরু। সেই আসরে মেসি আবারও আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে নিয়ে যান এবং দীর্ঘ তিন দশকের শিরোপা খরা কাটান। সাথে লুফে নেন টুর্নামেন্ট সেরা হওয়ার তকমাটাও। প্রথম ম্যাচে চিলির বিপক্ষে সেই গোলটিই ছিল তাঁর বর্ণিল ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ সময়গুলোর অন্যতম সূচনা।

এখন আসা যাক ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে! প্রথম ম্যাচেই আরবের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার প্রথম ম্যাচে মেসির সেই পেনাল্টি গোলটি কি কেউ ভুলতে পারবে? যদিও ম্যাচটি আর্জেন্টিনা হেরেছিল, কিন্তু সেই গোলটিই ছিল মেসির অদম্য লড়াইয়ের শুরু। পুরো টুর্নামেন্টে সাত গোল ও তিন অ্যাসিস্টের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট সেরা হন।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই যেন আবারও একই ঘটনা। আলজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক গোল দিয়ে শিরোপা ধরে রাখার মিশন শুরু করলেন এলএমটেন।

৩৯ বছরে দাঁড়িয়েও মেসি কি পারবেন সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটাতে? ক্যারিয়ারের গোধূলি লগ্নে দাঁড়িয়েও মেসি যখন একের পর এক গোলে হ্যাটট্রিক করেন, তখন কেবল গোলবোর্ডই নয়, বরং ফুটবলপ্রেমীদের আবেগও আন্দোলিত হয়।

 

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link