লিটন দাসের ইনজুরি যেন এক ধাঁধা, যার সমাধান মিলছে না কিছুতেই।
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে পড়েন তিনি।সেই চোটের কারণেই ছিটকে যান পরের টি-টোয়েন্টি সিরিজ থেকে, যেখানে তৌহিদ হৃদয়ের নেতৃত্বে তিন-শূন্য ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ। এরপর জিম্বাবুয়ে সফরের আগে বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ থেকে জানানো হয়, দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই সেরে উঠবেন তিনি, একমাত্র টেস্টে ফেরার সম্ভাবনাও ছিল উজ্জ্বল।
কিন্তু বাস্তবতা মিলল না সেই প্রতিশ্রুতির সঙ্গে। টেস্টের ঠিক আগমুহূর্তে জানা গেল, পুরোপুরি ফিট হননি লিটন, দল থেকেই বাদ পড়লেন তিনি। তার জায়গায় উইকেটকিপার হিসেবে সুযোগ পেলেন মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। এরপর ওয়ানডে সিরিজ শুরুর মুখে আবারও নতুন খবর—প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না লিটন, তবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচের জন্য প্রস্তুত থাকবেন। অথচ দ্বিতীয় ওয়ানডের ঠিক আগে আরেকবার পাল্টে গেল চিত্রনাট্য—ফিটনেস টেস্টে উতরাতে না পারায় পুরো সফর থেকেই ছিটকে গেলেন তিনি, ঢাকায় ফিরে গেলেন পুনর্বাসনের জন্য।

জিম্বাবুয়ে সফর থেকে বাদ পড়লেও সবার ধারণা ছিল, লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে ঠিকই মাঠে নামবেন লিটন। গল গ্যালান্টসের হয়ে খেলার জন্য বিসিবি থেকে অনাপত্তিপত্রও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই সম্ভাবনাতেও ছেদ পড়ল—দুই পক্ষের সমঝোতায় বাতিল হয়ে গেল সেই চুক্তি।
এক চোট অথচ বারবার বদলে যাওয়া সময়সীমা—কখনো দুই সপ্তাহ, কখনো তিন, কখনো বা মাসের হিসাব। প্রশ্নটা তাই থেকেই যায়—বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের মেডিক্যাল বিভাগ কি সত্যিই জানে, লিটন দাস ঠিক কবে ফিরবেন মাঠে, নাকি প্রতিবারই অনুমানের ওপর ভর করেই দেওয়া হচ্ছে নতুন তারিখ?











