বিপদে ত্রাতা সেই অভিজ্ঞ রুট

দেয়ালে যখন পিঠ ঠেকে যায়, তখনই চেনা নায়করা লেখেন রূপকথা। ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ঠিক এভাবেই বিপদের সময় ত্রাতা হয়ে উঠলেন অভিজ্ঞ ইংলিশ ব্যাটার জো রুট।

দেয়ালে যখন পিঠ ঠেকে যায়, তখনই চেনা নায়করা লেখেন রূপকথা। ভারতের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ঠিক এভাবেই বিপদের সময় ত্রাতা হয়ে উঠলেন অভিজ্ঞ ইংলিশ ব্যাটার জো রুট।

১০৭ রানেই নেই ছয় উইকেট! ভারতীয় বোলারদের তোপে তখন তাসের ঘরের মতো কাঁপছে ইংল্যান্ডের ব্যাটিং দুর্গ। একের পর এক ব্যাটার ফিরে যাচ্ছেন সাজঘরে। গ্যালারিতে পিনপতন নীরবতা। লজ্জাজনক পরাজয়ের চরম শঙ্কা গ্রাস করেছে পুরো স্বাগতিক শিবিরকে।

এমন কঠিনতম পরিস্থিতিতে বুক চিতিয়ে লড়াই চালিয়ে গেলেন অভিজ্ঞ ব্যাটার রুট। তাঁর চিরচেনা ধ্রুপদী ব্যাটিংয়ে ভর করে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করল স্বাগতিক শিবির। ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে একাই রুখে দিলেন ভারতীয় বোলারদের আক্রমণ।

ধৈর্য আর বীরত্বের এক অনন্য মেলবন্ধনে রুট তুলে নিলেন দুর্দান্ত এক হাফ সেঞ্চুরি। ৭৬ বলে ছয় চার ও এক ছক্কায় খেললেন অপরাজিত ৭৬ রানের ইনিংস। এই লড়াকু ইনিংসই শেষ পর্যন্ত খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলল দলকে। ভারতকে ছুড়ে দিল ২৫৯ রানের চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য।

হারের আগে হার না মানার চিরন্তন গল্পটাই যেন লর্ডসের মাঠে আবার লিখে দিলেন এই অভিজ্ঞ মাস্টারক্লাস ব্যাটার। ক্রিকেটের আসল সৌন্দর্য তো এখানেই, যেখানে এক মহাকাব্যিক ইনিংস নিমেষেই বদলে দেয় ম্যাচের পুরো রঙ!

লেখক পরিচিতি

সাব এডিটর

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link