হারিস রউফ যেখানে অভিনব

পেস বোলারদের খনি পাকিস্তান। যুগের পর যুগ ধরে একের পর এক দারুণ সব পেস বোলার উপহার দিয়ে এসেছে পাকিস্তান। ইমরান খান, সরফরাজ নেওয়াজ, ফজল মাহমুদ, ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনুস, শোয়েব আখতার, আকিব জাভেদ, আজহার মাহমুদ, উমর গুলদের মত দুর্দান্ত সব পেস বোলার উপহার দিয়ে এসেছে পাকিস্তান।

শুধু তাই নয় হালের মোহাম্মদ আমির থেকে শুরু করে হারিস রউফ, নাসিম শাহ কিংবা শাহিন আফ্রিদিরাও দুনিয়ার অন্যতম সেরা। বরাবরই ইতিহাস কাঁপানো সব পেসারের দেখা মিলেছে পাকিস্তানে।

বর্তমান প্রজন্মের পেসারদের মধ্যে আলাদা ভাবে নজর কেড়েছেন হারিস রউফ। হারিস রউফের শক্তির জায়গা তাঁর গতি। কয়েকদিন আগেই রংপুরের হয়ে বিপিএল খেলে যাওয়া রউফ নিয়মির বল করতে পারেন ১৫০ কিলোমিটার বা তার বেশি গতিতে।

সাদা বলের ক্রিকেটে পাকিস্তানের জার্সিতে অন্যতম ভরসা এখন হারিস রউফ। বিশ্বজুড়ে খেলে চলেছেন প্রায় সবকয়টি ফ্রাঞ্চাইজি লিগ। সাদা পোষাক আর লাল বলের ক্রিকেটে গত ডিসেম্বরে অভিষেক হলেও অভিষেক ম্যাচেই ইনজুরিতে পড়েন তিনি।

হারিস রউফে মুগ্ধ সাবেক অস্ট্রেলিয়ান গ্রেট ম্যাথু হেইডেনও। নিয়মিত ঘন্টায় ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করাটা খুব একটা সহজ নয়। এই ‘স্পেশাল ফিচার’টি রউফকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে বলে মনে করেন হেইডেন। হারিসের গতি প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের জন্য কাজটা অনেকটাই কঠিন করে দেয় বলে মনে করেন হেইডেন।

হেইডেন বলেন, ‘হারিস রউফ নিয়মিত ১৫০ কিলোমিটার গতিতে বোলিং করছে।’ পাকিস্তানের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে দীর্ঘদিন কাজ করা হেইডেন তাঁর সাবেক শিষ্যকে তাই আলাদা ভাবে নজরে রাখছেন।

বর্তমানে পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) লাহোর কালান্দার্সের হয়ে খেলছেন রউফ। টুর্নামেন্টের প্রথম দুই ম্যাচে রউফের শিকার দুটি উইকেট।

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link