পুরনোদের উপর আস্থা রেখেছে মুম্বাই

সর্বনিম্ন ২ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নিয়ে নিলামে হাজির হয়েছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তাদের মূলত স্কোয়াডটাই পূর্ণ করতে হতো। দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়কেই ধরে রেখেছিল মুম্বাই

সর্বনিম্ন ২ কোটি ৭৫ লাখ রুপি নিয়ে নিলামে হাজির হয়েছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তাদের মূলত স্কোয়াডটাই পূর্ণ করতে হতো। দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়কেই ধরে রেখেছিল মুম্বাই। তবুও তারা মাত্র এক কোটি রুপিতে কুইন্টন ডি কককে দলে নিয়েছে নিলাম থেকে। এত স্বল্প মূল্যে ডি ককের মত একজন ব্যাটারকে দলে পাবে মুম্বাই, সেটা নিশ্চয়ই তারা ভুলেও প্রত্যাশা করেনি।

মোটে পাঁচজন খেলোয়াড় কিনেছে তারা এবারের মিনি নিলাম থেকে। অতএব ধারণা করে নেওয়াই যায়, একাদশ প্রায় নিশ্চিত ছিল পাঁচ বারের ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়নদের। সেই একাদশের শুরুতে এক্সপ্লোসিভ ব্যাটিংয়ের জন্য রোহিত শর্মার সাথে জুটি বাঁধবেন কুইন্টন ডি কক। এক কোটিতে ডি কক-কে পেয়ে ওপেনিং স্লটে বাড়তি বিকল্প খুঁজে পেল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স।

রায়ান রিকেলটন ও কুইন্টন ডি কক এই দুই প্রোটিয়া ব্যাটারদেরকে ব্যবহার করতে পারবে মুম্বাইয়ের টিম ম্যানেজমেন্ট। তিনে তিলক ভার্মা আস্থার স্তম্ভ। চারে সুরিয়াকুমার যাদবের নেই কোন বিকল্প। পাঁচে অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। এরপর উইল জ্যাকসও নামান ধীর। তারপর স্পিন সহায়ক উইকেটে মিচেল স্যান্টনার, আর ভিন্ন কন্ডিশনে করবিন বশ।

বোলিংয়ের নেতৃত্বে যথারীতি থাকছেন জাসপ্রিত বুমরাহ। তার সাথে জুটি বেঁধে বোলিং আক্রমণ সামলাবেন ট্রেন্ট বোল্ট। শার্দুল ঠাকুর ও দীপক চাহারের পারফরমেন্সের ভিত্তিতে একাদশে সুযোগ পেতে পারেন যে কেউ। যেহেতু তারা ব্যাটিংটাও করতে জানেন, সেহেতু ব্যাটিং অর্ডারে অন্তত শেষের ব্যাটার হবেন না এই দুইজনের কেউই।

অন্যদিকে ইম্প্যাক্ট খেলোয়াড় হিসেবে রোহিতের পরিবর্তে মায়াঙ্ক মারকান্ডের খেলার সম্ভাবনাই বেশি। তাতে করে বোলিংয়ে আসবে বৈচিত্র‍্য। এই পুরো ইউনিট একসাথে জ্বলে উঠতে পারলেই হয়ত মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা বেড়ে যাবে আরও কয়েকগুণ।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link