ঝগড়া বাঁধানোয় নেইমারকে ছেড়ে দিচ্ছে পিএসজি

গুঞ্জনটা ছিল আগেই। কিলিয়ান এমবাপ্পের দেয়া শর্ত পূরণ করতে নেইমারকে মৌসুম শেষে বিক্রি করে দিচ্ছে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন। এবার সতীর্থ আর ম্যানেজমেন্টের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়ে নিজের পিএসজি ছাড়াটা অনেকটা নিজেই নিশ্চিত করলেন নেইমার। পিএসজি কর্তৃপক্ষও এই ঘটনার মোটামুটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে নেইমারকে বিক্রি করে দেবার।

আজ এবারের মৌসুমের সবচেয়ে বড় ম্যাচ খেলতে যাচ্ছে পিএসজি। চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ ষোলোর প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখের মুখোমুখি হবে মেসি-এমবাপ্পে-নেইমাররা। তবে এমন মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে পিএসজি দলে দেখা দিল কোন্দল।

গত রবিবার লিগ ওয়ানে মেসি-এমবাপ্পে বিহীন পিএসজিকে হারতে হয়েছে ৩-১ গোলে। ইনজুরির কারণে প্রথম একাদশের বাইরে থাকা মেসি আর এমবাপ্পের অনুপস্থিতিতে বাড়তি দায়িত্ব ছিল নেইমারের ওপর। কিন্তু নেইমারও পারেননি পিএসজির হার ঠেকাতে। মাঠেই সতীর্থদের পারফরম্যান্সে খুশি ছিলেন না তিনি।

খেলা চলাকালীনই সতীর্থদের সাথে তর্ক হচ্ছিল নেইমারের। ম্যাচ শেষ হতেই নিজের রাগ উগড়ে দেন নেইমার। সতীর্থ হুগো ইকিটক ভালো ছন্দে না থাকায় তাঁর প্রতি আপত্তিকর শব্দ প্রয়োগ করেন নেইমার। এছাড়া আরেক তরুণ মিডফিল্ডার ভিতিনহার ওপরও রাগ প্রকাশ করেন এই ব্রাজিলিয়ান সুপারস্টার।

নেইমারের এমন আচরণ ভালোভাবে নেননি ভিতিনহা ও ইকিটক। এমনকি ড্রেসিংরুমে বাকিরাও ক্ষুদ্ধ ছিলেন নেইমারের এমন আচরণে। দলের এমন পারফরম্যান্সে অখুশি ছিলেন পিএসজির স্পোর্টিং ডিরেক্টর লুইস ক্যাম্পোস।

ম্যাচ শেষে ড্রেসিংরুমে ফুটবলারদের তুলোধোনা করতে থাকেন তিনি। সেটি মেনে নিতে পারেননি নেইমার। ক্যাম্পোসের সাথেও জড়ান তর্কে। পিএসজির ড্রেসিংরুমে তাই এক অশান্ত পরিবেশ সৃষ্টি হয়। নেইমারের এমন আচরণ বাজে প্রভাব ফেলেছে পুরো দলের ওপরই।

তাই আসন্ন গ্রীষ্মকালীন দলবদলেই নেইমারকে যে পিএসজি ছেড়ে দিচ্ছে তা পুরোপুরি নিশ্চিত। ২০১৭ সালে রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে আসেন নেইমার।

কিন্তু, নেইমারকে দলের ভেরানোর মূল যে লক্ষ্য, চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা, সেটি এখনো পূরণ করতে পারেনি পিএসজি। উল্টো এবার চ্যাম্পিয়নস লিগের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে দলে নেইমার সৃষ্টি করেন বিশৃঙ্খলা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link