রশিদের দিন ফুরালো!

২০ বলের মধ্যে ১০টিতেই বাউন্ডারি হজম, ‘দ্য হান্ড্রেড’–এ যেন এক দুঃস্বপ্নের রাত কাটালেন রশিদ খান, করলেন এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে খরুচে বোলিং। বরাবরই কিপ্টে বোলিংয়ের জন্য পরিচিত রশিদ যেন এখন পরিণত হয়েছেন রান দেওয়ার মেশিনে।

২০ বলের মধ্যে ১০টিতেই বাউন্ডারি হজম, ‘দ্য হান্ড্রেড’–এ যেন এক দুঃস্বপ্নের রাত কাটালেন রশিদ খান, করলেন এই টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে খরুচে বোলিং। বরাবরই কিপ্টে বোলিংয়ের জন্য পরিচিত রশিদ যেন এখন পরিণত হয়েছেন রান দেওয়ার মেশিনে।

দ্য হান্ড্রেডের দশম ম্যাচে বার্মিংহাম ফিনিক্সের বিপক্ষে খেলতে নামে রশিদ খানের ওভাল ইনভিন্সিবলস। ব্যাট হাতে অবশ্য ৯ বলে ১৬ রান করেন তিনি। ইনিংস শেষে ওভালের সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৮০ রান।

ওভালের দেওয়া বড় রানের চাপ একপ্রকার নিজের কাঁধেই তুলে নিলেন অধিনায়ক লিয়াম লিভিংস্টোন। আর চড়াও হওয়ার জন্য বেছে নেন রশিদ খানকে। রশিদের ধারহীন বল আর খাটো লেন্থকে নিশানা করেন তিনি। এক ওভারে টানা ৩ ছক্কা ও ২ চারে মাত্র ৫ বলে তুলে নেন ২৬ রান।

আর ওখানেই ঘুরে যায় ম্যাচের মোড়। লিভিংস্টোনের ২৭ বলে ৬৯ রানের ইনিংসে ভর করে দুই বল হাতে রেখেই চার উইকেটের জয় পায় বার্মিংহাম। রশিদ ২০ বলে দেন রেকর্ড ৫৯ রান, কোনো উইকেটেরও দেখা পাননি।

শুধু তাই নয়, টুর্নামেন্টের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান দেওয়া বোলার এখন তিনি। এর আগের রেকর্ডটি ছিল ডেভিড ভিসের, যিনি দিয়েছিলেন ৫৩ রান।

সাম্প্রতিক সময়টা খুব বেশি ভালো যাচ্ছে না রশিদ খানের। এ বছর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের মঞ্চেও ছিলেন নিজের ছায়া হয়ে। সেখানেও এক আসরে সর্বোচ্চ ছক্কা হজমের রেকর্ড করেছিলেন নিজের নামের পাশে।

বল হাতে ক্রিকেট বিশ্ব শাসন করা রশিদ এখন যেন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন। ধারাবাহিক ব্যর্থতায় প্রশ্ন উঠেছে, মাত্র ২৬ বছর বয়সেই কি তাঁর শেষের শুরু হলো?

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

নেপালে সাকিব-মাহেদীর অম্লমধুর শুরু

একজনের শুরুটা হয়েছিল প্রায় বিদায়ের দুয়ারে দাঁড়িয়ে, অন্যজনের ব্যাটে জমেনি প্রত্যাশার রং। অথচ দিনের শেষে দুজনেরই নাম উঠল পারফরম্যান্সের খাতায়। শেখ মেহেদী হাসান ব্যাট হাতে ২১ বলে ৩২ রানের ঝোড়ো ইনিংসে হিমালয়ের দেশ কাঁপালেন, আর সাকিব আল হাসান বল হাতে চার ওভারে ২৪ রান দিয়ে তুলে নিলেন একটি উইকেট। নেপাল প্রিমিয়ার লিগে পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের জার্সিতে বাংলাদেশের দুই অলরাউন্ডারের অভিষেকটা হলো এমনই! তবে ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের এই প্রাপ্তি শেষ পর্যন্ত ম্লান হলো দলের পরাজয়ে। ১৪৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ১৬.৫ ওভারেই জয় নিশ্চিত করে প্রতিপক্ষ সুদূর পশ্চিম রয়্যালস, জিতল ৬ উইকেটে।

Share via
Copy link