যাদের ব্যাটে দ্রুততম এক হাজার রান!

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই মারকাটারি ব্যাটিং। ব্যাটাররা আসবেন, চার-ছক্কা হাঁকাবেন—এটাই যেন এই ফরম্যাটের সংজ্ঞা। তাঁরই ধারাবাহিকতায় অনেক ক্রিকেটারই অভিষেকের পর থেকে এই ফরম্যাটে ছড়ি ঘুরিয়েছেন। চলুন দেখা নেওয়া যাক, টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম বল খেলে হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন কারা।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট মানেই মারকাটারি ব্যাটিং। ব্যাটাররা আসবেন, চার-ছক্কা হাঁকাবেন—এটাই যেন এই ফরম্যাটের সংজ্ঞা। তাঁরই ধারাবাহিকতায় অনেক ক্রিকেটারই অভিষেকের পর থেকে এই ফরম্যাটে ছড়ি ঘুরিয়েছেন। চলুন দেখা নেওয়া যাক, টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে কম বল খেলে হাজার রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন কারা।

  • অভিষেক শর্মা – ৫২৮ বল

সবার প্রথমে নামটা আসবে অভিষেক শর্মার। বর্তমান টি-টোয়েন্টির সেরা ব্যাটার ভারতের এই নতুন সেনসেশন। মাত্র ৫২৮ বল খেলে এক হাজার রানের ইতিহাস গড়েছেন তিনি। আর কেউ এত দ্রুত এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পারেননি। পাওয়ারপ্লেতে আক্রমণাত্মক খেলা, দ্রুত হাতের গতিতে ছক্কার পর ছক্কা—সব মিলিয়ে তিনি আধুনিক টি-টোয়েন্টির নিখুঁত সংজ্ঞা।

  • সুরিয়াকুমার যাদব – ৫৭৩ বল

অভিষেক শর্মার আগে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন সুরিয়াকুমার যাদব! মাত্র ৫৭৩ বল খেলে ১ হাজার রানের গণ্ডি পেরিয়েছিলেন তিনি। ২০২১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেকের পর থেকেই ভারতের টি-টোয়েন্টি ব্যাটিংয়ের মেরুদণ্ড হয়ে উঠেছেন। ৩৬০ ডিগ্রি শট খেলার দক্ষতায় তিনি আধুনিক ক্রিকেটের প্রতীক হয়ে উঠেছেন।

  • ফিল সল্ট – ৫৯৯ বল

ইংল্যান্ডের ব্যাটার ফিল সল্টও আছেন এই তালিকায়। ইনিংসের প্রথম বল থেকেই আক্রমণের মানসিকতা, প্রতিটি ডেলিভারিতেই আগ্রাসন—এসবই তাঁর পরিচয়। মাত্র ৫৯৯ বল খেলে তিনি ছুঁয়েছিলেন ১ হাজার রানের মাইলফলক।

  • গ্লেন ম্যাক্সওয়েল – ৬০৪ বল


অস্ট্রেলিয়ার ‘বিগ শো’ গ্লেন ম্যাক্সওয়েল এক দশক ধরে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রূপই পাল্টে দিয়েছেন। রিভার্স হিট, সুইচ হিট, স্কুপ এসবই যেন ক্রিকেটকে দিয়েছে বিনোদনের নতুন মাত্রা। মাত্র ৬০৪ বলেই তিনি ছুঁয়েছিলেন ১ হাজার রানের মাইলফলক। ২০১২ সালে অভিষেকের পর থেকে তার রান এখন ২৮০০-এর বেশি, স্ট্রাইক রেট ১৫৫-এর উপরে! এখনও ম্যাক্সওয়েল টি-টোয়েন্টির সবচেয়ে বিধ্বংসী নামগুলোর একটি।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link