লঙ্কার মাটিতে তাওহীদ হৃদয়ের বাহাদুরি!

চার-ছক্কা আর তিন ডাবলসের সঙ্গে ব্যাট থেকে তুললেন ১৬ রান। তাঁর কল্যাণেই শেষ ওভারে জাফনা পেল ১৯ রান, আর সংগ্রহ দাঁড়াল ১৯৯। শেষ বলে ছক্কা হাঁকানো হৃদয় তখন ২১ বলে ৩৫-এ দাঁড়িয়ে।

তাওহীদ হৃদয় এলেন, সবটা দেখলেন, আর শেষটাতে কার্যকরী এক ইনিংস খেলেই ফিরলেন। আবারও জাফনা কিংসের জার্সি গায়ে জড়িয়ে আসরের শুরুটা করলেন দুর্দান্ত ঢঙে, রীতিমতো আয়েশি মেজাজে।

সদ্য জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি খেলে এসেছেন। যদিও নামের প্রতি সুবিচার করা হয়ে ওঠেনি। একটা শঙ্কা ছিল, লঙ্কান প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল)-এ কি এভাবেই চলবে রথ?

তিন নম্বরের গুরুদায়িত্ব নিয়ে যখন নামলেন, অর্ধেকের বেশি ইনিংস তখন শেষ। স্কোরবোর্ডে পর্যাপ্ত রান আছে, হাল ধরে টানতে পারলে পার হতে পারে ২০০ রানের গণ্ডি। হৃদয় সেই হাল ধরার কাজটাই করে এগিয়ে গেলেন। প্রথম ১৩ বলে করলেন ১৩, দলের ছন্দে পতন ঘটেছে কিছুটা। বড় রানের আশা তখন ফিকে হয়ে আসছে। তবে বিচলিত হলেন না হৃদয়। আঁকড়ে ধরে থাকলেন ক্রিজ, নিজের ওপর অগাধ বিশ্বাস, দাঁড়িয়ে থাকলেই সব হবে।

হলোও তাই। শেষ ওভার শুরুর আগে নামের পাশে রান তখন ১৬ বলে ১৯। খুব বেশি মন্দ নয়, তবে আত্মতুষ্টি মিলবে না এতে। হৃদয় তাই নিজেকে প্রমাণের জন্য বেছে নিলেন শেষ ওভারটাকে।

চার-ছক্কা আর তিন ডাবলসের সঙ্গে ব্যাট থেকে তুললেন ১৬ রান। তাঁর কল্যাণেই শেষ ওভারে জাফনা পেল ১৯ রান, আর সংগ্রহ দাঁড়াল ১৯৯। শেষ বলে ছক্কা হাঁকানো হৃদয় তখন ২১ বলে ৩৫-এ দাঁড়িয়ে। স্ট্রাইক রেটটাও ১৬৬। বিশ্বাসে যে বস্তু মিলিয়েছেন তিনি, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শুরুটা যেন নিজের মতো করেই করলেন, দলের চাহিদার পাশাপাশি নিজের ছোট্ট ফাঁড়াটাও কাটিয়ে উঠলেন। এখন দেখার, শেষটাতে আর কী কী করতে পারেন তিনি।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

Share via
Copy link