ভ্যাঙ্কুভারে দুই গোলের শুরু, অস্ট্রেলিয়ার হিসেবি জয়

এটা ছিল দুই রকম ফেরার গল্প। তুরস্ক বিশ্বকাপ খেলছে ২০০২ সালের পর প্রথমবার, অস্ট্রেলিয়া টানা সপ্তমবার এসেছে। মাঠে নামার আগেই আলোচনা ছিল একাদশ নিয়ে।

ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে খেলা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশ সময় সকাল দশটায়। ভেন্যুর ধারণক্ষমতা ৫২ হাজার ৪৯৭, গ্যালারি প্রায় ভরে গিয়েছিল।

এটা ছিল দুই রকম ফেরার গল্প। তুরস্ক বিশ্বকাপ খেলছে ২০০২ সালের পর প্রথমবার, অস্ট্রেলিয়া টানা সপ্তমবার এসেছে। মাঠে নামার আগেই আলোচনা ছিল একাদশ নিয়ে।

কোচ টনি পপোভিচ চমক দিলেন শুরুতেই। অভিজ্ঞ ম্যাট রায়ানকে বেঞ্চে রেখে গোলপোস্টে দিলেন প্যাট্রিক বিচকে। অধিনায়ক হ্যারি সাউটার রক্ষণ সামলালেন সামনে থেকে।

প্রথমার্ধে তুরস্কই বল বেশি রাখল। কিন্তু গোল পেল অস্ট্রেলিয়া। ২৭ মিনিটে পল ওকন-এংস্টলারের লম্বা বল ধরে বাঁ দিক দিয়ে ঢুকে পড়েন নেস্টরি ইরানকুন্ডা। এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কাছের পোস্টে স্লাইড — বল জালে।

গোলের পরও ছবিটা বদলায়নি। তুরস্ক আক্রমণ করেছে, অস্ট্রেলিয়া জায়গা ছেড়ে অপেক্ষা করেছে। প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ তে।

দ্বিতীয়ার্ধে তুরস্ক আরও চাপ বাড়ায়। শট নেয় ছাব্বিশটা, অস্ট্রেলিয়ার নয়টার বিপরীতে। বল দখলেও তারা এগিয়ে, প্রায় সত্তর ভাগ। কিন্তু কাজের কাজটা করে ফেলে সকারুরাই।

৭৫ মিনিটে মাঝমাঠে একটু এলোমেলো বল পেয়ে যান কনর মেটকাফ। ঘুরে দাঁড়িয়ে বাঁ পায়ের শট, প্রায় পঁচিশ গজ দূর থেকে কাছের পোস্টে। গোলরক্ষক দেখলেন শুধু।

শেষ বাঁশি বাজলে স্কোরবোর্ডে লেখা থাকে অস্ট্রেলিয়া ২, তুরস্ক ০।

গ্রুপ ডি-তে যুক্তরাষ্ট্র আগেই জিতেছে। অস্ট্রেলিয়া তিন পয়েন্ট নিয়ে শুরু করল। সামনে প্যারাগুয়ে, তুরস্ক খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে।

ভ্যাঙ্কুভারের রাতটা তাই শুধু দুই তরুণের গোলের নয়। বল কম পেয়েও, পরিকল্পনায় স্থির থেকেও যে জেতা যায় — অস্ট্রেলিয়া সেটাই দেখিয়ে দিল।

লেখক পরিচিতি

আমজাদ হোসেন আবির

সাব এডিটর

Share via
Copy link