১৯৬৬ সালের পর বড় কোনো আন্তর্জাতিক ট্রফি নেই ইংল্যান্ডের। এবার টমাস টুখেলের অধীনে ২০২৬ বিশ্বকাপে আবারও শিরোপার স্বপ্ন দেখছে থ্রি লায়নরা। তবে মাঠের বাস্তবতায় ‘ইট ইজ কামিং হোম’ স্লোগানটি বাস্তবায়নে ইংল্যান্ডের সামনে রয়েছে কঠিন কিছু চ্যালেঞ্জ।
উত্তর আমেরিকার অসহনীয় গরম ইংলিশ ফুটবলারদের জন্য বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। ক্লান্তি আর ‘কুলিং ব্রেক’ এর এই খেলায় দ্বিতীয়ার্ধে নিজেদের মেলে ধরা দলটির জন্য পাহাড়সমান চ্যালেঞ্জ। এর ওপর বুকায়ো সাকার ফিটনেস নিয়ে অনিশ্চয়তা আক্রমণভাগের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি করেছে।
রক্ষণভাগের বুনট নিয়েও স্বস্তিতে নেই থ্রি লায়নরা। লেফট-ব্যাকে বিশেষজ্ঞের অভাবের পাশাপাশি জন স্টোনসের ভঙ্গুর ফিটনেস যে কোনো সময় বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

দলের বেঞ্চের গভীরতাও খুব একটা আশাব্যঞ্জক নয়। মর্গান গিবস-হোয়াইটের মতো পারফর্মারদের বাদ দেওয়ায় ম্যাচে মোড় ঘোরানোর মতো ‘গেম-চেঞ্জারের’ অভাব স্পষ্ট।
আক্রমণভাগে হ্যারি কেনের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা ইংল্যান্ডের জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে।। টুখেল একে স্বাভাবিক বললেও বাস্তবতা ভিন্ন। কেনের বিকল্প হিসেবে ওয়াটকিনস বা টোনিদের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার পাল্লা বেশ হালকা।
তবে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়তো তাদের নিজেদের অতীত। বারবার তীরে এসে তরী ডোবানোর মানসিক ট্রমা থেকে তারা এখনো মুক্ত নয়। বিশেষ করে নক-আউট পর্বে পেনাল্টি শ্যুটআউটের ভুতুড়ে ইতিহাস খেলোয়াড়দের যে মনস্তাত্ত্বিক চাপে রাখে, তা টুখেলের জন্য বড় পরীক্ষা। এখন দেখার বিষয়, টুখেলের কৌশলী মস্তিষ্ক ৬০ বছরের শিরোপাশূন্যতার এই দেয়াল ভাঙতে পারে কি না।












