পাকিস্তানের ওপেনারের খোঁজ, দ্য থ্রি ওয়ে ফাইট!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আর খুব একটা বাকি নেই, সপ্তাহ দুয়েক পরেই শুরু হবে আকাঙ্খিত ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। তবে টুর্নামেন্টের কাছাকাছি এসেও ওপেনিং জুটি ঠিক করতে পারেনি পাকিস্তান। বিশ্ব মঞ্চে কোন দুই ব্যাটার ইনিংসের উদ্বোধন করবেন সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে দলটির ড্রেসিরুমে। মূলত সায়িম আইয়ুবের অফ ফর্মের কারণেই এমন এলোমেলো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

তবে এখান থেকে উত্তরণের পথ বাতলে দিয়েছেন দেশটির সাবেক ক্রিকেটার মিসবাহ উল হক। যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে পাকিস্তানের উদ্বোধনী জুটি কেমন হবে সেটা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন তিনি। তাঁর মতে অবশ্য, ডানহাতি-বামহাতি কম্বিনেশন ঠিক রেখেই সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।

একই সাথে তরুণ সায়িমকে এখনি বাদ না দিয়ে বরং সময় দেয়ার পক্ষে অবস্থান করছেন এই তারকা ব্যাটার। সেজন্য প্রয়োজন হলে ওপেনিং জুটির অন্যপ্রান্তে বদল আনতেও সমস্যা নেই তাঁর।

তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি যে, ডান-বাম কম্বিনেশন রাখা হলে সেটা দলের জন্য সেরা ওপেনিং জুটি হবে। এখন সায়িম আইয়ুবকে খেলানো হচ্ছে; কিন্তু সে এই মুহূর্তে পারফরম করতে পারছে না। আমার বিশ্বাস, এক প্রান্তে সায়িম এবং অন্য প্রান্তে বাবর বা রিজওয়ানকে রাখা হলে তাঁরা একে অপরের পরিপূরক হতে পারে।’

সবশেষ আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে অবশ্য সায়িম আর রিজওয়ানকে ওপেনার হিসেবে ব্যবহার করেছিল পাকিস্তানের টিম ম্যানেজম্যান্ট। তাঁরা খুব ভাল না করলেও পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়েছে তা বলার সুযোগ নেই। কেননা রিজওয়ান দুইটি পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস খেলেছেন আর সায়িম এক ম্যাচে রান পেয়েছিলেন।

এখন দেখার বিষয়, বিশ্বকাপে বাবর আজমের দল কি করে। ছয় জুন স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে তাঁদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হবে।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link