২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের রোমাঞ্চকর সেই রাত কি চাইলেই ভোলা যায়? অতিরিক্ত সময়ের এক গোলে আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। যদিও, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ডালপালা মেলছে নানা অবাস্তব ষড়যন্ত্র তত্ত্ব।
এমনকি ফিফার কাছে ফাইনাল ম্যাচটি পুনরায় আয়োজনের দাবি তুলেছে দেশটির ক্ষুব্ধ ভক্তরা। অনলাইনে এক পিটিশনে ইতোমধ্যে ৮২ হাজারেরও বেশি মানুষ দাবিটির পক্ষে স্বাক্ষর দিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, ম্যাচটিতে নিরপেক্ষতার অভাব ছিল। এমনকি খোদ ফিফাও নাকি এর সাথে জড়িত।

তবে এর মাঝেই কঠোর বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) প্রধান ক্লদিও তাপিয়া। তিনি সমর্থকদের সব ধরণের গুজব আর মিথ্যা প্রচারণা থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তাপিয়া স্পষ্ট ভাষায় বলেন, ‘স্পেন আমাদের চেয়ে ভালো খেলেছে এবং তাদের জয় প্রাপ্য ছিল।’
স্পেন-আর্জেন্টিনার মাঠের লড়াইটা মূলত পেশি আর স্নায়ুযুদ্ধে পরিণত হয়। নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে এনজো ফার্নান্দেজ দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে চাপে পড়ে যায় আর্জেন্টিনা। পরে অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেস নিঁখুত ফিনিশিংয়ে শিরোপার স্বপ্ন ভেঙে চুরমার করে দেন লিওনেল মেসিদের।

কিন্তু, ম্যাচ শেষ হতেই শুরু হয় অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা। পারেদেস ও মোলিনারা স্প্যানিশ ফুটবলারদের সাথে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। ফিফা ইতিমধ্যে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এতে আর্জেন্টাইনদের দায় প্রমাণিত হলে, আসতে পারে কঠিন নিষেধাজ্ঞাও। ইংলিশ ফুটবলার গ্যারি নেভিল এরই মধ্যে এই আচরণকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।










