সেঞ্চুরির এত কাছে গিয়েও আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হলো নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমকে। শান্ত ৮২ এবং মুশফিক ৮১ রানে আউট হওয়ায় অধরা থেকে গেল তিন অঙ্কের ম্যাজিক ফিগার। অথচ আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদলে ডিআরএসের সহায়তায় দুবার করেই নতুন জীবন পেয়েছিলেন বাংলাদেশের এই দুই ব্যাটার। প্রযুক্তির কল্যাণে উইকেটে ফেরার সুযোগ পেলেও শেষ পর্যন্ত সেঞ্চুরি পূর্ণ করতে না পারার আক্ষেপ নিশ্চয়ই পোড়াবে দুজনকে।
বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচে ডিআরএস হয়ে ওঠে আলোচনার অন্যতম কেন্দ্র। ইনিংসের ১.২ ওভারে সালিমের বলে তানজিদ হাসানের বিপক্ষে ক্যাচের আবেদন জানায় আফগানিস্তান। রিভিউয়ে দেখা যায়, বল ব্যাটে নয়, লেগেছিল থাই প্যাডে। ১১.৬ ওভারে শান্তর বিপক্ষে এলবিডব্লিউর আবেদনেও রিভিউ নেয় আফগানরা। বল পিচ ও ইমপ্যাক্ট হয়েছিল লাইনে, এমনকি অফ স্টাম্পে আঘাত করার সম্ভাবনাও ছিল। তবে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। ১৩.৩ ওভারে শান্তর বিপক্ষে ক্যাচের আবেদনে নেওয়া আরেকটি রিভিউও ব্যর্থ হয়। ফলে ইনিংসের শুরুতেই দুটি রিভিউ হারায় আফগানিস্তান।

বাংলাদেশের স্বস্তির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে ২৬.৩ ওভারে। জিয়াউর রহমানের বলে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউ হন শান্ত। রিভিউয়ে দেখা যায়, বল লেগ স্টাম্পের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যেত। ফলে আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত বদলে যায়, নতুন জীবন ফিরে পান শান্ত। ৪৫.৩ ওভারে একই বোলারের বলে এলবিডব্লিউ আউট দেওয়া হলে রিভিউ নেন মুশফিক। আল্ট্রা এজে ব্যাটে বলের সংযোগের স্পষ্ট প্রমাণ মেলায় সিদ্ধান্ত বদলে যায়। বেঁচে যান মুশফিকও। পরে ৪৬.৫ ওভারে হাশমতউল্লাহর বলে মুশফিকের প্যাডে বল লাগলে আবারও এলবিডব্লিউর আবেদন জানায় আফগানিস্তান, তবে আম্পায়ার তাতে সাড়া দেননি।
ডিআরএসের বিচারে বাংলাদেশ পায় গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি, আর আফগানিস্তানের রিভিউ-ভান্ডার শেষ হয়ে যায় ইনিংসের শুরুর দিকেই। কিন্তু প্রযুক্তির সহায়তায় পাওয়া নতুন জীবন শেষ পর্যন্ত শান্ত-মুশফিকের সেঞ্চুরির স্বপ্ন পূরণ করতে পারেনি। দুজনের ইনিংসেই তাই রইল প্রাপ্তির পাশাপাশি শতক হাতছাড়া হওয়ার আক্ষেপ।











