আইপিএলের সেই আট কোচ

২০০৮ সালে যাত্রা শুরু ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল)। বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) এই আয়োজন ভারতের ক্রিকেটে এনেছে আমূল পরিবর্তন।

২০০৮ সালে যাত্রা শুরু ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল)। বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) এই আয়োজন ভারতের ক্রিকেটে এনেছে আমূল পরিবর্তন।

আইপিএলের কারণে তাদের তরুণ ক্রিকেটাররা তাদের প্রতিভা দেখাতে পারছে ৷ দেশি ক্রিকেটারদের পাশাপাশি বিদেশি তারকা ক্রিকেটাররাও এখানে খেলার সুযোগ পান। তবে তাদের উন্নতির পিছনে যাদের অনেক বেশি অবদান থাকে তারা হলেন কোচ।

চলুন দেখে নেই ২০০৮ আসরে অনুষ্ঠিত আইপিএলে সব দলের কোচদের বর্তমান অবস্থান কোথায়৷ তারা এখন কি করছেন।

  • রবিন সিং (ডেকান চার্জারস)

২০০৮ সালে আইপিএলের উদ্বোধনী আসরে ডেকান চার্জারসের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করেন রবিন সিং। তবে সেই আসরে ডেকান চার্জারস পয়েন্টস টেবিলের একদম তলানিতে অবস্থান করে। ডেকানে দায়িত্ব পালন পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোচিং করান রবিন৷ সর্বশেষ ২০২০ সালে আরব আমিরাতে ক্রিকেটের ডিরেক্টর হিসেবে যুক্ত হন।

  • লালচাদ রাজপুত (মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স)

আইপিএলের উদ্বোধনী আসরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করেব লালচাদ রাজপুত। মুম্বাইয়ে সেবার বেশ ক’জন তারকা ক্রিকেটার থাকা সত্ত্বেও সেমিফাইনালে যেতে পারেনি দলটি। মুম্বাইর সাথে প্রথম আসরে কাজ করার পর বিভিন্ন দলের হয়ে পরবর্তীতে কাজ করেন তিনি। সম্প্রতি জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট তাকে হেড কোচ হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে।

  • ভেঙ্কটেশ প্রসাদ (রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু)

ভারতীয় দলে খেলার সময়ে ভেঙ্কটেশ প্রসাদ ছিলেন সেই সময়ের অন্যতম সেরাদের একজন। আইপিএলের প্রথম আসরে প্রসাদ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর হেড কোচের দায়িত্ব পালন করেন। অবশ্য সেই আসরে ব্যাঙ্গালুরু সেমিফাইনালে কোয়ালিফাই করতে পারেনি। বর্তমানে তাকে ভারতীয় একটি জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনে অংশ নিতে দেখা গেছে।

  • কেপলার ওয়েসেলস (চেন্নাই সুপার কিংস)

দুই দেশের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলা বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের একজন হলেন কেপলার ওয়েসেলস। আইপিএলের প্রথম আসরে চেন্নাই সুপার কিংসের প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তার অধীনেই চেন্নাই প্রথমবারের মতো আইপিএল ফাইনালে পা রাখে। তবে ফাইনালে রাজস্থান রয়্যালসের কাছে হেরে যায় চেন্নাই। চেন্নাইয়ে কোচিং করানোর পর ওয়েসেলস আবার দক্ষিণ আফ্রিকা ফিরে যান এবং সেখানেই কোচিং করানো শুরু করেন। অবসরের পর তিনি লন বল খেলেন।

  • টম মুডি (কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব)

২০০৮ আসরে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে কোচিং প্যানেলের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। সাবেক এই অজি ক্রিকেটার বিভিন্ন ফ্র‍্যাঞ্চাইজির হয়ে বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে একটা হলো কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব। ২০০৮ সালে সেখানে তিনি হেড কোচের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে ডিরেক্টর অব ক্রিকেট হিসেবে যুক্ত আছেন।

  • শেন ওয়ার্ন (রাজস্থান রয়্যালস)

সাবেক অজি লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্ন ২০০৮ আসরে আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন। মজার ব্যাপার হলো অধিনায়কের পাশাপাশি তিনি ওই দলের কোচও ছিলেন! তার নেতৃত্বে প্রথম আসরেই রাজস্থান আইপিএলের শিরোপা ঘরে তোলে। সেই ওয়ার্ন আজ আর নেই, তিনি চলে গেছেন জীবন নদীর ওপারে।

  • গ্রেগ শিপার্ড (দিল্লী ডেয়ারডেভিলস)

অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেট কোচ গ্রেগ শিপার্ড আইপিএলের উদ্বোধনী আসরে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে কোচিংয়ের দায়িত্ব পালন করেন। ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি ১১২ টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলেছেন। অবসরের পর এই অজি ক্রিকেটার কোচিংকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। বর্তমানে তিনি বিগ ব্যাশে সিডনি সিক্সার্সের হেড কোচের দায়িত্ব পালন করছেন।

  • জন বুকানন (কলকাতা নাইট রাইডার্স)

২০০৮ সালের প্রথম আসরে যে চার দল সেমিফাইনালে যেতে পারেনি তার মধ্যে একদল হলো কলকাতা নাইট রাইডার্স। সেই সময়ে তাদের প্রধান কোচ ছিলেন জন বুকানন। ২০০৭ ক্রিকেট বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়া দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বুকানন! যেবার অজিরা শিরোপা ঘরে তোলে৷ তবে তিনি আইপিএলে সফল হতে পারেননি। ২০১১ সালে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট তাকে ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ দেয়।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link