ফিল্ডার বললেন ছক্কা! আম্পায়ার বললেন ‘না’

‘ভাল মানুষ’ সাজতে গিয়ে প্রতিপক্ষকে পাঁচটা রান বাড়তি দিতে চাচ্ছিলেন নায়ার। সেটা আর হল না।

মোহিত শর্মার স্লোয়ার লেন্থ ডেলিভারি টেনে নিয়ে সোজা লং অনের ওপর দিয়ে মারতে গেলেন শশাঙ্ক সিং। বাউন্ডারির একদম ধারে দাঁড়িয়ে ছিলেন করুণ নায়ার। লাফিয়ে বলটা হাতে নেন, সঙ্গে সঙ্গেই চেষ্টা করেন রোপের ভেতরে ফ্লিক করে দিতে। কিন্তু ফ্লিক করার আগেই মনে করেন, হয়তো পা লাগিয়ে ফেলেছেন রোপে! তাই নিজেই ছয় হওয়ার সিগনাল দিয়ে দেন। এসব ক্ষেত্রে সাধারণত ফিল্ডারের রায়ই মেনে নেওয়া হয়।

কিন্তু, জয়পুরে এদিন অন ফিল্ড আম্পায়ার নায়ারের সেই সিগনালে রাজি হলেন না। তিনি সিদ্ধান্ত নিতে দায়িত্ব দিলেন তৃতীয় আম্পায়ারকে। তবে তৃতীয় আম্পায়ার সবদিক দেখে বলেন—না, বাউন্ডারি ছোয়ার কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ নেই।  নায়ারের দুর্দান্ত ফিল্ডিংয়ে ছয় বেঁচে যায়, শশাঙ্কের খাতায় শুধু যোগ হল এক রান।

যদিও, ‘ভাল মানুষ’ সাজতে গিয়ে প্রতিপক্ষকে পাঁচটা রান বাড়তি দিতে চাচ্ছিলেন নায়ার। সেটা আর হল না। সর্বশেষ এমন ভাল মানুষ মনে গিয়েছিলেন সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের ঈশান কিষাণ। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে আউট না হওয়ার পরও তিনি ‘ওয়াক-অফ’ করেছিলেন।

ঈশান কিষাণ ভেবেছিলেন কট বিহাইন্ডের শিকার হয়েছেন। কিন্তু সাজঘরে গিয়ে তাঁর টনক নড়ে। টেলিভিশন রিপ্লেতে দেখা যায় ব্যাটের সাথে বলের কোনো সংযোগই ঘটেনি। এবার তাঁর পথেই হাঁটতে গিয়েও আম্পায়ারের বদান্যতায় ফিরে এলেন মাত্রই জাতীয় দলে ডাক পাওয়া করুণ নায়ার।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link