কোহলির আসনে বসলেন করুণ নায়ার

ভারতের টেস্ট ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার অধ্যায় শেষ হলেও আলোচনায় এখনো রয়েছেন তাঁরা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে নির্বাচকদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কে বসবেন দুই কিংবদন্তির রেখে যাওয়া আসনে?

ভারতের টেস্ট ক্রিকেটে বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার অধ্যায় শেষ হলেও আলোচনায় এখনো রয়েছেন তাঁরা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন পাঁচ ম্যাচের টেস্ট সিরিজের আগে নির্বাচকদের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—কে বসবেন দুই কিংবদন্তির রেখে যাওয়া আসনে?

সবচেয়ে বেশি আলোচিত একটি জায়গা—চার নম্বর পজিশন। বিরাট কোহলির শক্ত হাতে সামাল দেওয়া পজিশনে দরকার দায়িত্বশীল কাউকে। অনেকে বলছেন শুভমান গিল কিংবা কে এল রাহুল হতে পারেন সেই উত্তর। তবে ক্রিকেট বিশ্লেষক ও সাবেক ভারতীয় ব্যাটার সঞ্জয় বাঙ্গার ভিন্ন এক নামের দিকে ইঙ্গিত করেছেন—নামটা করুণ নায়ার। টেস্ট দলে তাঁর ফিরে আসা সেই আলোচনার আগুনেই ঘিঁ ঢালল।

ভারতীয় কিংবদন্তি ব্যাটার শেবাগের পর দ্বিতীয় ক্রিকেটার হিসেবে করুণ নায়ার যখন ত্রিশতক হাঁকিয়ে ইতিহাস গড়েছিলেন, তখন অনেকেই ভেবেছিলেন ভারতের মিডল অর্ডার একজন দীর্ঘমেয়াদি তারকা পেয়ে গেছে। কিন্তু কয়েক ম্যাচ পরেই দল থেকে ছিটকে যান তিনি। এরপর দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে থেকে ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজেকে নতুন করে গড়ে তুলেছেন।

২০২৪/২৫ মৌসুমে বিদর্ভের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন তিনি। দলকে রঞ্জি ট্রফি এনে দেওয়ার পাশাপাশি একাধিক ম্যাচে নির্ভরযোগ্য ইনিংস খেলেছেন। শুধু তাই নয়, আইপিএল ২০২৫-এ দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ৪০ বলে ৮৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেই যেন নির্বাচকদের সামনে নিজের নাম আবারও সামনে নিয়ে আসেন।

তাঁকে নিয়েই সঞ্জয় বাঙ্গার বলেন, ১আমি মনে করি, চার নম্বরে করুণ নায়ার ভালো অপশন হতে পারে। যদি ঘরোয়া ক্রিকেটকে সত্যিই মানদণ্ড হিসেবে ধরা হয়, তাহলে করুণ নায়ার তার জায়গা ফেরত পাওয়ার জন্য সবকিছুই করেছে।’

তবে করুণ নায়ারের পাশাপাশি আরও একজন ক্রিকেটারকে নিয়েও আলোচনা হচ্ছে—তিনি অভিমন্যু ঈশ্বরন। ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিকভাবে রান করলেও জাতীয় দলের জার্সি এখনও গায়ে ওঠেনি তাঁর। যদিও ভারত ‘এ’ দলের হয়ে সাম্প্রতিক কিছু ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ায় মূল একাদশে জায়গা হয়নি, তবুও ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে ‘এ’ দলের অধিনায়ক হিসেবে আবারও নিজের দাবি জানাবার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি।

ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে নতুনভাবে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ভারত। অধিনায়কত্ব থেকে শুরু করে দল নির্বাচন, সবখানেই দেখা যাচ্ছে বড় রদবদল।তাই তো ঘরোয়া ক্রিকেটে অভিজ্ঞ করুণ নায়ার কিংবা অভিমন্যু ঈশ্বরনের মতো খেলোয়াড়েরা নতুন পরিকল্পনার স্বপ্নসারথি হতেই পারেন। রোহিত-কোহলির শূন্যস্থানে তাঁরা শুধু বিকল্প নয়—হতে পারেন সম্ভাব্য উত্তর।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link