অনিশ্চিত রোহিত-কোহলির ভবিষ্যৎ!

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ওয়ানডে দলে ডাক পড়েছে বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার। তবে তাতেও ওয়ানডের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে অনিশ্চয়তার মেঘ সরানো গেল না।

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ওয়ানডে দলে ডাক পড়েছে বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার। তবে তাতেও ওয়ানডের ভবিষ্যৎ নিয়ে যে অনিশ্চয়তার মেঘ সরানো গেল না। প্রধান নির্বাচক অজিত আগারকারের মতে, দুই তারকার মধ্যে কেউই ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া নিয়ে নাকি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দেননি। তাই তো প্রশ্নটা, সময় কি তবে শেষের ঘণ্টা বাজিয়ে দিল বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার ক্রিকেটীয় অধ্যায়ের?

কত-শত অর্জন, জয়-পরাজয়ের হিসাব এই দুজনে মিলে করেছেন ভারতীয় ক্রিকেটে। অভিজ্ঞতার ঝুলি সমৃদ্ধ করেছেন, নিজেদের সবটা নিংড়ে দিয়েছেন। তবে এবার লিখতে বসেছেন উপসংহারের শেষ লাইনটা।

অস্ট্রেলিয়ায় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের জন্য ভারতীয় দল ঘোষণা হয়েছে। যেখানে অধিনায়কের মুকুট রোহিত থেকে শুভমান গিলের মাথায় উঠেছে। সবকিছু একটা দিকেই ইঙ্গিত করছে, সময়টা নতুনদের।

কোহলি-রোহিতদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রধান নির্বাচক অজিত আগরকরের মন্তব্যও একটা আভাস দিয়ে গেল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের কথা দুজনেই ভাবতে পারেন এখন। যেহেতু টেস্ট এবং টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার পর কেবল ওয়ানডেটাই খেলছেন তাঁরা।

আগারকার বলেন, ‘এরা দুজনই অনেক অভিজ্ঞ। দীর্ঘ সময় ধরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছে। কেবল এক ফরম্যাট খেলতে তাদের হয়তো অদ্ভুত লাগবে। এ বিষয়ে আপনাদের তাদের কাছে জানতে হবে। এটি খুব কমই ঘটে।’

সেই সঙ্গে এই দুজনকে জাতীয় দলে খেলার শর্তও বেঁধে দিয়েছেন তিনি। ভারতের হয়ে ওয়ানডে খেলতে চাইলে, ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা তাঁদের জন্য বাধ্যতামূলক। তিনি বলেন, ‘খেলোয়াড়রা খেলুক বা না খেলুক, তাদের ডোমেস্টিক ক্রিকেট খেলাটা উচিত। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সঙ্গে এটি সম্ভব হবে কি না, তা সময় দেখাবে।’

ভারত দল এক পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকেও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে রোহিত শর্মাকে। যা ইঙ্গিত করছে ২০২৭ বিশ্বকাপে তাঁর খেলাটা অনেকটা অনিশ্চয়তার দোলাচলে। আগারকার বলেন, ‘এটাই সেই ফরম্যাট যেটাতে তারা বর্তমানে খেলছে এবং আমরা তাদের স্কোয়াডে নিয়েছি। ২০২৭ বিশ্বকাপ নিয়ে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় নয়। সাধারণত অধিনায়ক পরিবর্তনের সঙ্গে এই বিষয়টা যুক্ত থাকে।’

ফলে ভারতীয় ওয়ানডে দল এখন একটি নতুন যুগে প্রবেশ করতে চলেছে। কিছুদিন আগেও অবশ্য রোহিত-কোহলি নিজেদের বিশ্বকাপ ভাবনা সম্পর্কে গনমাধ্যমে বলেছিলেন। তাঁরা খেলতে চান, জিততে চান। তবে হঠাৎ করে আগারকারের এমন কথাটা একটা ঘোলাটে রহস্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে। তাই তো ২০২৭ বিশ্বকাপে তাদের থাকা নিয়ে কোনো সদুত্তর মিলছে না।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link